1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

রাঙামাটির উত্তাপ ফেসবুকে

মেডিকেল কলেজের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে রাঙামাটিতে সৃষ্ট সংঘর্ষের উত্তাপ ছড়াচ্ছে ফেসবুকেও৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কারফিউ আরোপ করেছে, করছে স্থানীয় প্রশাসন৷ ফেসবুকে এই নিয়ে চলছে নানাবিধ আলোচনা৷

পার্বত্য চট্টগ্রাম দীর্ঘদিন ধরেই অশান্ত৷ আদিবাসীরা বিভিন্ন দাবিতে সোচ্চার৷ সেখানকার শান্তি ফেরাতে হয়েছে শান্তি চুক্তি৷ কিন্তু পরিস্থিতি কি আদৌ বদলেছে? সাংবাদিক গোলাম মোর্তোজা এই বিষয়টি তুলে এনেছেন তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসে৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘২৭ বছর যুদ্ধ করে যে পাহাড়িদের নতজানু করা গেল না, রাজনৈতিক সরকারকে চুক্তি করে তাদের দাবির ন্যায্যতার স্বীকৃতি দিতে হলো৷ শুরু থেকেই সেই চুক্তি ভণ্ডুল করে দেয়ার চক্রান্তে যারা সম্পৃক্ত থাকল, তারাই আজ আবার সেটেলার বাঙালিদের লেলিয়ে দিল পাহাড়িদের ওপর৷''

তিনি লিখেছেন, ‘‘সেটেলার বাঙালিরা বাঙালি জাতির লজ্জা৷ তাদেরকে ব্যবহার করে যারা ধ্বংসাত্মক সন্ত্রাসী অপকর্ম করায়, পাহাড়িদের বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দেয়, দখল করায়, খুন-ধর্ষণ করায়, তারা মানব সমাজের কলঙ্ক৷''

এদিকে, ব্লগার আরিফ জেবতিক প্রশ্ন তুলেছেন আদিবাসীদের আন্দোলনের ধরন নিয়ে৷ মেডিকেল কলেজের উদ্বোধন নিয়ে শুরু হওয়া অস্থিরতা প্রসঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘‘...দুনিয়ার সবখানে মানুষ আন্দোলন করে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল স্থাপনের জন্য, সেগুলো স্থাপনের প্রতিবাদ করে আন্দোলন করছে- এটা অভিনব ঘটনা৷''

Angriff auf Minderheit in Bangladesh

আদিবাসীদের উপর আগেও আক্রমণ ঘটেছে

তিনি লিখেছেন, ‘‘এটা ঠিক যে পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়িত হয়নি বলে দীর্ঘদিন ধরেই একসময়কার শান্তিবাহিনীর নেতৃত্বদানকারী এই সংগঠনটি বলে আসছে৷ শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন জরুরি এবং রাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি৷''

আরিফ জেবতিক লিখেছেন, ‘‘একটি অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য মেডিকেল কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় খুবই সহায়ক৷ স্থানীয় ছেলেমেয়েরা যে সেখানে পড়তে পারে শুধু তা-ই নয়, বরং বাইরের জেলার ছেলেমেয়েরা সেখানে পড়তে যায় এবং একটি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক বিনিময় ঘটে...৷''

পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিস্থিতি নিয়ে আরিফ জেবতিকের দীর্ঘ এই স্ট্যাটাস ব্যাপক বিতর্কেরও জন্ম দিয়েছে৷ সেখানে মন্তব্যে নিলয় চাকমা দিয়েছেন কিছু ভিন্ন তথ্য৷ তাঁর মতে, পার্বত্য চট্টগ্রামে নেয়া বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আসলে আদিবাসীদের তেমন কাজে আসে না৷ কাপ্তাই বাঁধ, বাংলাদেশ সুইডিশ পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটসহ বিভিন্ন উদাহরণ দিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘‘...এখন যদি রাঙামাটিতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন হয়, তাহলে নিঃসন্দেহে পাহাড়িদেরকে আবার ‘উন্নয়নের বলি' হতে হবে৷ ঠিক যেমন সেই আগের কথিত কাপ্তাই বাঁধ এবং সুইডিশ ইনস্টিটিটিউট ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি৷ তাই আমরা সরকারের পাহাড়ের উন্নয়নের নামে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে মোটেও খুশি হতে পারিনা৷''

সংকলন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন