1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

রসায়নে নোবেল পেলেন এক মার্কিনি আর দুই জাপানি বিজ্ঞানী

২০১০ সালে রসায়নের জন্য নির্ধারিত নোবেল পুরস্কারটি ভাগাভাগি করে নিলেন দুই দেশের তিন বিজ্ঞানী৷ এরা হচ্ছেন মার্কিন বিজ্ঞানী রিচার্ড হেক আর দুই জাপানি রসায়নবিদ এইইচি নেগিশি আর আকিরা সুজুকি৷

default

রসায়নে বিজয়ী তিন বিজ্ঞানী

এটি এবছরে ঘোষিত তৃতীয় নোবেল পুরস্কার৷ এর আগে সোমবারে চিকিৎসা এবং মঙ্গলবারে পদার্থবিজ্ঞানে অবদান রাখার জন্য নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল৷

রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অফ সাইন্স জানিয়েছে, এই পুরস্কার রসায়নে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানেরই স্বীকৃতি৷ নোবেল পুরস্কার কমিটি এই বুধবার তাঁদের নাম ঘোষণা করেছে৷ উল্লেখ্য, গুরুত্ববহ একটি রাসায়নিক পদ্ধতি আবিষ্কার করার জন্য তারা এবারের এই নোবেলটি পেয়েছেন৷

Japan Schweden Nobelpreis 2010 Chemie Akira Suzuki

জাপানী বিজ্ঞানী আকিরা সুজুকি

জানা গেছে, এই তিন রসায়ন বিজ্ঞানী অর্গানিক ব্যবস্থাতে প্যালাডিয়াম-ক্যাটালাইজড সংমিশ্রণ ঘটানোর পদ্ধতিটি আবিষ্কারের জন্য এবারের নোবেল পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন৷ গবেষণাগারে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে কার্বন নির্ভর যৌগ রাসায়নিক পদার্থ তৈরি বর্তমানে সহজতর হয়েছে৷

তাঁদের আবিষ্কৃত এই রাসায়নিক পদ্ধতিটির কল্যাণেই আজ বিশ্বজুড়ে ওষুধ তৈরির প্রতিষ্ঠানগুলো, রসায়নবিদ আর গবেষকরা অনায়াসে কার্বন নির্ভর যৌগ রাসায়নিক পদার্থ তৈরিতে সক্ষম হচ্ছেন৷ এমনকি আধুনিক ইলেক্ট্র্রনিক্স সামগ্রীতে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ সব সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম অংশ তৈরিও এই পদ্ধতি ব্যবহারের কারণে সহজতর হয়েছে৷

নোবেল কমিটির বরাতে জানা গেছে, এ'পদ্ধতি ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা কার্বন-নির্ভর যৌগ রাসায়নিক, যা প্রাণের আদি বিষয়, তা এখন গবেষণাগারেই তৈরি করতে পারছেন৷ উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, প্রাকৃতিকভাবে স্বল্প পরিমাণে হলেও এমনই একটি যৌগ রাসায়নিক পদার্থ সামুদ্রিক স্পঞ্জ জাতীয় প্রাণীতে রয়েছে, যা ক্যান্সার নিরাময়ে এবং ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি ঠেকাতে ব্যবহৃত হতে পারে৷

Nobelpreis Chemie 2010 Abgas-Katalysator Flash-Galerie

আবিস্কারের নাম প্যালাডিয়াম-ক্যাটালাইজ

বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, সামুদ্রিক স্পঞ্জে প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া এই যৌগ রাসায়নিক পদার্থটি এখন কৃত্রিমভাবে গবেষণাগারেই তৈরি করা সম্ভব৷ যা থেকে অদূর ভবিষ্যতে ক্যান্সার ঠেকানোর ওষুধ আবিষ্কার সম্ভব হবে৷ নোবেল কমিটির বরাতে আরো জানা গেছে, এ'জাতীয় রাসায়নিক পদার্থ তৈরিতে সাধারণত কার্বন অণুদের জোড়া লাগাতে হয়৷ যদিও কার্বন অণুদের একসঙ্গে মেলানোর এই বিষয়টি বেশ দুরূহ একটি কাজ৷ আর এই প্রক্রিয়ায় অনেক বাড়তি উপজাত সৃষ্টি হয়ে থাকে৷

কিন্তু বিজ্ঞানী রিচার্ড হেক, এইইচি নেগিশি আর আকিরা সুজুকির আবিষ্কৃত এই পদ্ধতির কল্যাণে আজ গবেষণাগারে এখন বাড়তি কোন উপজাত সৃষ্টি ছাড়াই সুনির্দিষ্টভাবে এবং অনেক সহজে করা যাচ্ছে৷ বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, আগামী দিনগুলোতে এমনতরো অনেক দূরারোগ্য অসুখের ওষুধ সৃষ্টিতেও হয়তো এই ত্রয়ী বিজ্ঞানীর আবিষ্কৃত পদ্ধতি ব্যবহার করে আমরা সাফল্য পাবো৷

প্রতিবেদন: হুমায়ূন রেজা

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়