1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

রক সংগীতের প্রতীক জেনিস জপলিন

রক সংগীতের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল তারকা জেনিস জপলিন৷ বলা যায় ষাট দশকে তিনিই প্রথম প্রতিষ্ঠিত মহিলা রক সংগীতশিল্পী৷ বিশ্বব্যাপী সাড়া জাগিয়েছিলেন অসাধারণভাবে৷ ১৯ জানুয়ারি ছিল তাঁর ৬৮ তম জন্ম বার্ষিকী৷

default

যখন গান গাইতেন জেনিস জপলিন

রক সংগীতের মহাকাব্যে এক বিপ্লবী নায়িকা জেনিস জপলিন৷ গীতিকার, সুরকার ও গায়িকা৷ স্বল্পস্থায়ী জীবনের অল্প সময়ে সংগীতে ভিন্ন আঙ্গিক এবং তাঁর খসখসে সুরেলা কণ্ঠ মুগ্ধ করেছে অসংখ্য সংগীতানুরাগীদের৷ তাঁর সংগীত শুধু রক সংগীতেই নয় অন্যান্য সংগীত অঙ্গনেও আজও আদর্শ হয়ে আছে৷

জেনিস জপলিনের জন্ম ১৯৪৩ সালের ১৯ জানুয়ারি, অ্যামেরিকার টেক্সাস রাজ্যের পোর্ট আর্থারে৷ ছোটবেলা থেকেই ব্লুজ ও লোকসংগীতের প্রতি তাঁর ছিল গভীর অনুরাগ৷ বিখ্যাত কৃষ্ণাঙ্গ ব্লুজ ও লোক সংগীত গায়িকা ওডেটা হোমস ও বেসি স্মিথ ছিলেন তাঁর আদর্শ৷ তাদের গান শুনে শুনেই সংগীতে তাঁর স্বশিক্ষা৷ হাই স্কুল শেষ করার পর ১৭ বছর বয়সে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে পড়েন জেনিস৷ তাঁর লক্ষ্য ছিল তিনি গায়িকা হবেন৷ এক বছর পর তিনি চলে আসেন লস অ্যাঞ্জেলেসে৷ এখান থেকেই শুরু হয় সংগীত জগতে তাঁর অগ্রযাত্রা৷ কয়েক বছরের মধ্যে ব্লুজ রক সংগীতের শ্বেতাঙ্গ রাণী হিসেবে খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে তাঁর৷

Woodstock Festival 1969

অনেক কারণেই জপলিন ও তার দল ছিল আলোচনায়

১৯৬৬ সালে সান ফ্রান্সিস্কোতে বিখ্যাত ‘বিগ ব্রাদার অ্যান্ড হোলডিং কোম্পানি' ব্যান্ডে গায়িকা হিসেবে যোগ দেন জেনিস৷ শুরু হয় তাঁর সাফল্যের অগ্রযাত্রা৷ ১৯৬৭ সালে আন্তর্জাতিক ‘মন্টেরে পপ ফেস্টিভ্যাল'এ অংশ গ্রহণ তাঁকে এনে দেয় বিশ্ব খ্যাতি৷ ১৯৬৯ সালে ঐতিহাসিক ‘উডস্টক ফেস্টিভ্যাল' এর অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন জেনিস জপলিন৷ সেখানে তিনি তৎকালীন হিপি তৎপরতা ও তার সংস্কৃতি এবং শান্তির প্রতি সমর্থন জানান জোরালো কণ্ঠে৷

রক, ব্লুজ আর লোক সংগীতের সংমিশ্রণে এক নতুন আঙ্গিকের সুদক্ষ ও সৃজনশীল সংগীত সৃষ্টি করতে পেরেছিলেন জেনিস জপলিন৷ তিনি রক সংগীত জগতে রেখে গেছেন সংগীত কর্মের এক বিরাট সম্ভার৷ কিন্তু সংগীত ও সাফল্যের পাশাপাশি মাদকাসক্ত ছিল তাঁর নিত্যদিনের সাথী৷ এবং তারই পরিণতি, ১৯৭০ সালের ৪ অক্টোবর, মাত্র সাতাশ বছর বয়সে লস অ্যাঞ্জেলেসের এক হোটেল রুমে মৃত্যু বরণ করেন এই সংগীত প্রতিভা৷

প্রতিবেদন: মারুফ আহমদ

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন