1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

‘রক এন্ড রোল হল অফ ফেইম’ হলো ‘আবা’

চল্লিশ বছর আগে ১৯৭০ সালের নভেম্বর মাসে সুইডেনের গ্যোয়টেবুর্গ শহরের একটি পাবে, দুই তরুণী ও দুই তরুণ সংগীত শিল্পী এক সাথে একটি কন্সার্ট পরিবেশন করে অকুন্ঠ প্রশংসা লাভ করেন৷

default

‘আবা’

তখন কেউ ভাবতেও পারেনি যে এই চার সংগীত শিল্পী পরবর্তীকালে ‘আবা' সংগীত গোষ্ঠী হিসেবে, পপ সংগীত জগতে এক নতুন যুগের সুচনা করবে৷ দা বিটলস বা দা রোলিং স্টোনস এর পর আর যে কটি সংগীত গোষ্ঠি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে নিঃসন্দেহে ‘আবা' তাদের অন্যতম৷ সত্তর ও আশির দশকে বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছিল ‘আবা'র জনপ্রিয়তা৷

চার সংগীত শিল্পী, আগ্নেথা, বিয়র্ন, বেনি ও আনা-ফ্রীড একসাথে হওয়ার আগে সবাই একক সংগীত শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠত ছিলেন৷ সংগীতের সূত্র ধরেই তাদের পরিচয়৷ আর এই পরিচয়ের হাত ধরেই বেনি ও আনা-ফ্রীড এবং আগ্নেথা ও বিয়র্নের ভালবাসা ও বিবাহ বন্ধন৷ ১৯৭২ সালে বের হয় তাদের প্রথম রেকর্ড ‘পিপল নিড লাভ'৷ মেলোডিমাখা ও মনোগ্রাহী এই সংগীত পায় অসাধারন জনপ্রিয়তা৷

১৯৭৩ সালে ‘ইউরোভিশন সং কনটেস্ট'এ প্রতিযোগিতার জন্য নির্বাচিত হন আগ্নেথা, বিয়র্ন, বেনি ও আনা-ফ্রীড৷ এই সময় গোষ্ঠীর একটি নামের প্রয়োজন বোধ করেন তাঁরা৷ সবার নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে গোষ্ঠীর নামকরণ হয় ‘আবা'৷ সে বছর প্রতিযোগিতায় জয়ের মালা না পেলেও পরের বছর অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে ‘ওয়াটারলু' গান দিয়ে ‘ইউরোভিশন সং কনটেস্ট' এ সুইডেনের জন্য জয়ের মুকুট ছিনিয়ে নেয় ‘আবা'৷ আর সেই সাথে আন্তর্জাতিক পপ সংগীতের জগতে ছড়িয়ে পড়ে ‘আবা'র নাম৷

সত্তর দশকের মাঝামাঝি থেকে ‘আবা'র জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বব্যপী৷ সেই সাথে পায় অসামান্য ব্যবসায়িক সাফল্য৷ প্রায় ৩৭৫ মিলিয়ন বা সাঁইত্রিশ কোটি পঞ্চাশ লক্ষ রেকর্ড বিক্রি হয়েছে তাদের বিশ্বব্যপী৷ আশির দশকের প্রথম দিকে গোষ্ঠীর সদস্যদের ব্যক্তগত সম্পর্কে ফাটল ধরার ফলে ‘আবা' ভেঙে যায়৷ আজও ‘আবা'র জনপ্রিয়তা ম্লান হয়ে যায়নি৷ কিংবদন্তি এই সংগীত গোষ্ঠী ‘আবা'কে নিয়ে তৈরি হয়েছে চলচ্চিত্র, তার সংগীত নিয়ে তৈরি হয়েছে মিউজিক্যাল৷ এ বছর মার্চ মাসে রক-পপ সংগীত জগতে অসাধারণ অবদানের জন্য এই সংগীত গোষ্ঠিকে ‘রক এন্ড রোল হল অফ ফেইম' এ অভিষিক্ত করা হয়৷

প্রতিবেদন: মারুফ আহমদ

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়