1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

যৌনাঙ্গ বাহিত রোগাক্রান্ত করে মার্কিন পরীক্ষা

ডাক্তারি পরীক্ষার নামে তাদের শরীরে ঢোকানো হয়েছিল গনোরিয়া আর সিফিলিস জীবাণু৷ ‘তাদের' বলতে বলা হচ্ছে কয়েদি এবং মানসিক প্রতিবন্ধীদের৷ রোগ পরীক্ষায় কারা বেছে নিল এদেরকে?

default

ক্ষমা চাইলো যুক্তরাষ্ট্র (ফাইল ফটো)

ঘটনা ১৯৪০ দশকের৷ মার্কিন ডাক্তাররা এই অমানবিক পরীক্ষা চালান গুয়েতেমালার কয়েদি এবং মানসিক প্রতিবন্ধীদের ওপর৷ একান্ত গোপনে তাদের শরীরে গনোরিয়া আর সিফিলিস সংক্রমণ করা হয়৷ এরপর অবশ্য আক্রান্তদের চিকিৎসাও করা হয়৷ কিন্তু তাতে কতজন আবার সুস্থ হয়েছিল তা জানা যায়নি৷

সিফিলিসের কারণে হৃদরোগসহ অন্ধত্ব, মানসিক অসুস্থতা এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে৷ তাই, মানব শরীরে এমন রোগের পরীক্ষা সচরাচর দেখা যায়না৷ ওয়েলেসলি কলেজের প্রফেসর সুসান রাভারবি গুয়েতেমালার এই ঘটনা উদঘাটন করেন৷ তবে তিনি জানান, গুয়েতামালা সরকার মার্কিন কর্তৃপক্ষকে এই কাজের অনুমতি দিয়েছিল৷

সম্প্রতি গুয়েতেমালার প্রেসিডেন্ট এলভারো কোলম দাবি করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করেছে৷ এরপরই ৬৪ বছর আগের এই অপকর্মের জন্য মার্কিন কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে৷ খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা জানিয়েছেন, ১৯৪০ দশকের এই পরীক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতি বিরুদ্ধ ছিল৷

১৯৪৬ থেকে ১৯৪৮ সালের মধ্যে অমানবিক এই ডাক্তারি পরীক্ষা চালানো হয়৷ এজন্য বেছে নেয়া হয় ৭০০ মানুষকে৷ তাদের শরীরে যৌনাঙ্গ বাহিত রোগ গনোরিয়া এবং সিফিলিস সংক্রমণ করানো হয়৷ ডাক্তাররা রোগাক্রান্ত যৌনকর্মীদের দিয়ে কয়েদিদেরকে এই রোগে আক্রান্ত করানোর চেষ্টা করেন৷ কিছু মানুষকে আবার টিকার নামে জীবাণু দেয়া হয়৷ এরপর পরীক্ষা করে দেখা হয়, পেনিসিলিন সিফিলিস প্রতিরোধ করতে পারে কিনা৷

এই ঘটনায় আক্রান্তদের কোন ক্ষতিপূরণের ঘোষণা এখনো দেওয়া হয়নি৷ আপাতত শুধু তদন্তের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ৷

প্রতিবেদন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দোপাধ্যায়

সংশ্লিষ্ট বিষয়