1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

যে মাছ প্লাস্টিক খায়, সেই মাছ খাওয়া যায়?

প্লাস্টিক পরিবেশের ক্ষতি করে জেনেও অনেকেই এখনো নানাভাবে প্লাস্টিক ব্যবহার করেন৷ অনেকে সমুদ্রেও ফেলেন প্লাস্টিকের সামগ্রী৷ সেই প্লাস্টিক আবার অনেক মাছের পেটে যায়৷ এমন মাছ খেলে কি খুব ক্ষতি হবে?

এই বিষয়টি নিয়ে বেশ কষ্টসাধ্য এক গবেষণা করেছেন জার্মানির ‘আলফ্রেড ভাগনার ইন্সটিটিউট'-এর ‘হেল্মহল্টজ সেন্টার ফর পোলার অ্যান্ড মেরিন রিসার্চ'-এর জীববিজ্ঞানীরা৷ তাঁদের কাজ ছিল মূলত যেসব মাছ প্লাস্টিকের কণা খায়, সেগুলোকে খুঁজে বের করে সেই মাছগুলো নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা৷

প্লাস্টিক মাছের স্বাভাবিক খাবার নয়৷ তবু অনেক মাছ প্লাস্টিককেই খাবার ভেবে খেয়ে ফেলে৷

এমনিতে ব্যাগ, স্যান্ডেল, খেলনা বা অন্য কোনো প্লাস্টিকের আস্ত জিনিস হলে মাছ স্বাভাবিক অবস্থায় তা খায় না৷ তবে জিনিসগুলো তো সমুদ্রের স্রোতের আঘাতে ভেঙে বা ছিঁড়ে টুকরো, সেই টুকরোগুলো আরো ছোট ছোট হতে হতে এক সময় কণার মতো হয়ে যায়৷ সেই কণাগুলো আবার পানির চেয়ে অনেক হাল্কা বলে ওপরেই ভাসে৷ অনেক মাছ প্লাস্টিকের কণাগুলোই খেয়ে ফেলে৷

জার্মান বিজ্ঞানীরা দেখেছেন সব মাছ কাছে পেলেও কখনো প্লাস্টিকের কণা খায় না৷ ২৯০ টি মাছের পাকস্থলী ও নাড়িভুড়ি পরীক্ষা করে এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছে তাঁরা৷

সেই ২৯০টি মাছের মধ্যে ম্যাকারেল, হেরিং, কড এবং হলুদ পাখার এক ধরনের মাছও ছিল৷ এ সব মাছ পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীদের মনে হয়েছে, মাছ প্লাস্টিক খাবে কিনা তা নির্ভর করে মূলত সেই মাছের ওপর৷ অর্থাৎ কোনো মাছ কতটা বুদ্ধমান তার ওপরই নির্ভর করে সে প্লাস্টিক খাবে কিনা৷

সেই কারণেই ‘হেল্মহল্টজ সেন্টার ফর পোলার অ্যান্ড মেরিন রিসার্চ'-এর জীববিজ্ঞানীরা দেখেছেন, হেরিং বা হেরিংয়ের মতো কয়েকটি মাছ পেলেও কখনো প্লাস্টিকের কণা খায় না৷ কিন্তু ম্যাকারেল পানির ওপরে প্লাস্টিকের কণা দেখলেই খেয়ে ফেলে৷

শামূকের বাচ্চা ম্যাকারেলের খুব প্রিয় খাবার৷ সাগরের পানিতে প্লাস্টিকের কণার স্তর ভাসতে দেখে মাকারেল মনে করে শামূকের বাচ্চা ভাসছে৷ দেরি না করে দ্রুত সেগুলো খেয়েও ফেলে৷

প্রশ্ন হলো, এই প্লাস্টিকের কণা খাওয়া মাছ খেলে কি মানুষের খুব ক্ষতি হয়? বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, প্লাস্টিক খেয়ে কোনো মাছ অসুস্থ হয়েছে এমন প্রমাণ এখনো তাঁরা পাননি৷ সেই মাছ খেয়ে অসুস্থ হওয়া মানুষের সন্ধানও নাকি তাঁরা এখনো পাননি৷

এসিবি/ডিজি (ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন