1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

যেসব কারণে ৫৭ ধারা বাতিলের দাবি উঠেছে

২০০৬ সালে প্রণীত তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা বাতিলের দাবি উঠেছে৷ সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারী থেকে শুরু করে সংবাদপত্রের সম্পাদক, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকসহ অনেকে এই দাবি জানাচ্ছেন৷ দাবিটি বিবেচনা করা হবে বলে জানান আইনমন্ত্রী৷

সম্পাদক পরিষদ এই আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছে৷ তাঁরা মনে করছেন, আইনের ৫৭ ধারাটি স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থি৷

গণজাগরণ মঞ্চ ৫৭ ধারাকে ‘কালো আইন' বলে আখ্যায়িত করে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছে৷ সংগঠনটি বলছে, বিএনপি-জামায়াত তাদের আমলে এরকম কালো আইন তৈরির সাহস করেনি, অথচ কথিত ‘সুকুমার প্রবৃত্তির সরকার' তা করেছে৷

মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার মনে করেন আইনটি সংবিধানের সঙ্গে গণবিরোধী৷ তাঁর কথায়, ‘‘এই আইনে মতপ্রকাশ করার অপরাধে যে কোনো সময় যে কাউকে জেলে নেওয়া যেতে পারে৷ এই ৫৭ ধারার মতো কালো আইন বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে অনর্থক করে দিতে পারে৷''

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ফাহমিদুল হকও মনে করেন এটি একটি কালো আইন এবং এটি সংশোধনের জন্য চিন্তাভাবনা করা উচিত৷

মাহমুদ পলাশ সুলতান ফেসবুকে লিখেছেন, ‘‘বাকস্বাধীনতা হরণকারী তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা বাতিল করো৷ আমরা দেশ আর দশের কথা বলতে চাই, লিখতে চাই, পড়তে চাই, জানতে চাই৷''

মাহমুদ শাকিল মনে করছেন, ৫৭ ধারা দিয়ে বাক স্বাধীনতার টুঁটি চেপে ধরে শুধু বাকস্বাধীনতাকে হত্যার চেষ্টা চলছে না; বরং এটি বাঙালির পূর্ণ স্বাধীনতার টুঁটি চেপে ধরার আনুষ্ঠানিকতা৷

আইনমন্ত্রীর ৫৭ ধারা পর্যালোচনা করার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে আফজালুর রহমান হেলাল ফেসবুকে লিখেছেন, ‘‘বিতর্কিত ৫৭ ধারা পরিবর্তন হতে যাচ্ছে!! তবে আমাদের দাবি ৫৭ ধারা বাতিল করিতেই হবে৷ না হলে আমারা তাদেরকেই পরিবর্তন করব যারা এই গণবিরোধী আইন করিয়াছেন৷ আমার কথা বলার অধিকার আপনি কেড়ে নিবেন তা হতে পারে না৷ এটা বাংলাদেশ, একটি স্বাধীন দেশ৷ আর স্বাধীন দেশে কথা বলার স্বাধীনতা থাকবে না, তা কি করে হয়?''

সংকলন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়