1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

‘যেমন আছি, ভালো আছি, ঝামেলা মুক্ত দেশ'

স্কুল পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তকে গোপনে ব্যাপক পরিবর্তন আনায় অন্যদের মতো ডয়চে ভেলের পাঠককুলও বিভ্রান্ত৷ পরিবর্তনের পক্ষে-বিপক্ষে তাদের মতামত তুলে ধরেছেন ফেসবুক পাতায়৷

‘‘পাঠ্যবই নাস্তিকতা মুক্ত হোক, নৈতিকতা যুক্ত করা হোক, ধর্মবিদ্ধেষপূর্ণ লেখা বাদ দেয়া হোক, দেশি লেখকদের প্রাধান্য দেওয়া হোক, দেশের পাঠ্য বই দেশে ছাপানো হোক৷'' এমন দাবি জানিয়ে মাতৃভক্তি, শিক্ষাগুরুর মর্যাদা, মহানবীর মহানুভবতা, তিতুমীর, হাজী মুহাম্মদ মহসিন, ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ এবং জাতীয় কবি নজরুলের লেখাগুলো ফিরিয়ে আনার পক্ষে মত দিয়েছেন আমাদের পাঠক দেওয়ান কিবরিয়া৷

হেফাজতের দাবিতে গোপনে পাঠ্যপুস্তকে পরিবর্তন আনা হয়েছে – এই প্রসঙ্গ টেনে ডয়চে ভেলেকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও জনপ্রিয় লেখক ড. জাফর ইকবাল বলেছেন, ‘‘সরকারকে বুঝতে হবে হেফাজত বা কোনো ধর্মীয় গোষ্ঠী তার বন্ধু না৷''

পাঠক আসাদুল্লাহ আল গালিবের তা পছন্দ হয়নি, তাই তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, ‘‘হ্যাঁ, এটা সরকারকে বুঝতে হবে, নাস্তিকরা তার বন্ধু, কোনো ধর্মীয় গোষ্ঠি নয়৷''

তবে ফিরোজ আলম, ড. জাফর ইকবালের উদ্দেশ্যে লিখেছেন, ‘‘স্যার, আপনি সরকার এবং ধর্মীয় গোষ্ঠীকে তাদের শত্রুতার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছেন৷ যেমন আছি, ভালো আছি৷ ঝামেলা মুক্ত দেশ৷''

ডয়চে ভেলের পাঠক সাব্বির ইবনে জামান ফিরোজ আলমের বক্তব্যকে সরাসরি সমর্থন করেছেন৷

তবে হোসেন বাহার পাঠ্যপুস্তক ও স্কুলশিক্ষার দায়িত্ব সরকারের ওপরই ছেড়ে দিয়েছেন৷ তাঁর ভাষায়,  ‘‘সরকার ভালো বোঝে, আমি মনে করি পাঠ্যবইয়ের ব্যাপারে সরকার এসব কথার মুল্য দেবে৷''

সবশেষে ফেহজান চৌধুরীর মন্তব্য, ‘‘হেফাজতের পরামর্শ মেনে পাঠ্যপুস্তকে বর্বর ইসলামীকরণ করা মানে জঙ্গিবাদের চাষাবাদ করা৷''

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা:  আশীষ চক্রবর্ত্তী

নির্বাচিত প্রতিবেদন