1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

যেটুকু নিউজ ছাপা হয়েছে, সেটুকুই: আসিফ নজরুল

হুমায়ূনকন্যা শীলা আহমেদের সঙ্গে বিয়ে প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আসিফ নজরুল ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আমার বিয়ে নিয়ে যেটুকু নিউজ ছাপা হয়েছে, সেটুকুই৷ এ ব্যাপারে আর কোনো কথা বলার ইচ্ছা নেই৷’’

Asif Nazrul Screenshot Hochzeit facebook

ফেসবুকে প্রকাশিত শীলা আহমেদ ও আসিফ নজরুলের ছবি

আসিফ এবং শীলার বিয়ে নিয়ে বুধবার থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কার্যত ঝড় বয়ে যাচ্ছে৷ বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ছাপিয়ে এই বিষয়টি নিয়ে ইন্টারনেটে আলোচনা হচ্ছে বেশি৷ দৈনিক প্রথম আলো এবং বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি পঠিত প্রতিবেদনের বিষয় এই বিয়ে৷

প্রসঙ্গত, বাংলা ব্লগে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচিত বিষয়গুলো নিয়ে ডয়চে ভেলে নিয়মিত ‘ব্লগওয়াচ' প্রকাশ করে৷ সেই প্রকাশনার অংশ হিসেবেই বিষয়টি নিশ্চিত হতে আসিফ নজরুলকে ফোন করে বিয়ের কথা জানতে চাওয়া হয়৷

বাংলা ব্লগে এই বিয়ে নিয়ে মন্তব্য করেছেন অনেকে৷ আমারব্লগে আবু শাকিল লিখেছেন, ‘‘আজকের (২৫.১২.১৩) অনেকগুলা অনলাইন পত্রিকা অধ্যাপক আসিফ নজরুল আর হুমায়ূনকন্যা শীলা আহমেদ-এর বিয়ের নিউজ ছেপেছে৷ কিন্তু আপশোসের বিষয় কয়েকটি পত্রিকা পড়ে দেখলাম কোনো পত্রিকাতেই শীলা আহমেদ কিংবা আসিফ নজরুল তাদের বিয়ে সম্পর্কে নিজেরা কোনো কিছু বলেন নাই৷ এখন পর্যন্ত যা দেখলাম তা সব গুলাই ফেসবুক থেকে পাওয়া তথ্য৷''

একই ব্লগ সাইটে নাজমুল নাইম লিখেছেন, ‘‘নিজের সুখের জন্য, নিজের ভালোবাসার স্বীকৃতির জন্য সমাজ ও প্রচলিত নিয়মকানুনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর সাহস সকল মানুষের হয় না!!''

এই ব্লগার লিখেছেন, ‘‘জীবন একটাই; সুতরাং পরিবার, সমাজ আর চারপাশের দিকে তাকিয়ে নিজের সুখের জলাঞ্জলি দেয়াটাই নিয়ম নয় – এই কথাটা আর একবার প্রমাণ করার জন্য, সমাজের ভন্ড নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর সাহসের জন্য শীলা আহমেদ এবং আসিফ নজরুলের প্রতি রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা৷''

ফেসবুকে প্রকাশিত একটি ছবিকে ঘিরে আসিফ ও শীলার বিয়ে নিয়ে সর্বশেষ আলোচনার শুরু হয় ৷ ছবিটি গত ২৪ ঘণ্টায় ফেসবুকে অসংখ্যবার শেয়ার হয়েছে৷ বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রগুলোও এটি প্রকাশ করেছে৷ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন ফেসবুকে লিখেছেন, ‘‘পুরা ফেসবুকে প্রধান একটাই আলোচনা/সমালোচনা, কে কত আগে হাড়িঁর খবর জানেন তা জানানোর প্রতিযোগিতা, শুধু এই নিয়ে যে - দু'জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ বিয়ে করেছেন৷''

তিনি লিখেছেন, ‘‘যদ্দুর বুঝতে পারলাম, আইন মোতাবেক এবং পারস্পরিক সম্মতিতে এই বিয়ে৷ এই বিয়েতে কারো অধিকার ক্ষুন্ন হয়েছে বলেও তো মনে হচ্ছে না৷ বুঝতে পারছি না, অন্যদের তাতে ঠিক কী সমস্যা?''

সংকলন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: জাহিদুল হক

নির্বাচিত প্রতিবেদন