1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

যেখানে বন্ধুর দিকেও থাকে সন্দেহের নজর

ইন্টারনেটে যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি নিয়ে কত কথা, অথচ জার্মানি সফরের সময় বারাক ওবামাকে এ বিষয়ে তেমন কিছুই বলেননি আঙ্গেলা ম্যার্কেল৷ বলবেন কী করে, জার্মান গোয়েন্দারাও যে একই কাজ করে আসছেন অনেক আগে থেকেই!

জার্মানির গোয়েন্দারা খুব একটা সুবিধা করতে পারছেন না জনবল আর টাকার অভাবের কারণে৷ যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা এনএসএ এবং ব্রিটেনের রাষ্ট্রীয় গণযোগাযোগের প্রধান কার্যালয় জিসি এইচকিউ-এর তুলনায় জার্মানির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা বিএনডি-র ক্ষমতা খুব সীমিত৷ তাই লোকবল বাড়ানোর উদ্যোগ নিচ্ছে বিএনডি৷ অন্তত ১০০জন নতুন কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে৷ এতে সব মিলিয়ে ১০০ মিলিয়ন ইউরোর মতো খরচ বাড়বে৷ জার্মানির ‘ডেয়ার স্পিগেল'-এর এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য দেয়া হয়েছে৷

ডেয়ার স্পিগেল আরো জানায়, জার্মানির সঙ্গে অন্যান্য দেশের মধ্যে যেসব বার্তা আদানপ্রদান হয় সেগুলোর শতকরা ২০ ভাগে নজরদারির আইনি অধিকার দেয়া আছে বিএনডি-কে৷ কিন্তু জনবল, অর্থ এবং অন্যান্য সীমাবদ্ধতার কারণে বিএনডি শতকরা মাত্র পাঁচ ভাগে ভালোভাবে নজরদারি করতে পারছে৷ এ কারণেই সার্ভারকে শক্তিশালী করা এবং জনবল বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে৷

Breitbandkabel bei DE-CIX in Frankfurt am Main

অনেক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও ২০১১ সালে কমপক্ষে ৩ লক্ষ ৩০ হাজার টেলিযোগাযোগ বার্তা সন্দেহের আওতায় নিয়ে ভালো করে খতিয়ে দেখেছে বিএনডি (ফাইল ফটো)

অনেক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও ২০১১ সালে কমপক্ষে ৩ লক্ষ ৩০ হাজার টেলিযোগাযোগ বার্তা সন্দেহের আওতায় নিয়ে ভালো করে খতিয়ে দেখেছে বিএনডি৷ কিন্তু এক সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ডেয়ার স্পিগেল জানিয়েছে, জার্মান কেন্ত্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা কাজের পরিধি অনুযায়ী নিজেদের কর্মক্ষমতা বাড়ানোকে এ মুহূর্তে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে৷

ইন্টারনেট নজরদারিতে যুক্তরাষ্ট্র আর ব্রিটেনের মতো জার্মানি এবং অন্য কিছু দেশও সক্রিয় এটা যেমন সত্য, তেমনি এসব দেশই আবার একে অন্যের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তৎপরতা চালায় এ বিষয়টিও এখন পরিষ্কার৷ যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দারা ওয়াশিংটনে ইইউ প্রতিনিধিদের সঙ্গেও রেখেছিলেন গোপন ডিভাইস৷ দ্য গার্ডিয়ান-এর প্রতিবেদনে তা বেরিয়ে আসায় এ নিয়ে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে৷ জার্মান গোয়েন্দা সংস্থা বিষয়টিকে খুব অস্বাভাবিক মনে করছেনা৷ গোয়েন্দা সংস্থা বিশেষজ্ঞ এরিশ স্মিড্ট – ইয়েনবুম এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেছেন, ‘‘ওরা ওদের কাজ করেছে৷'' এ যুগে দেশের স্বার্থে বন্ধুর দিকে বন্ধুও সন্দেহের নজর রাখে – তাই এসব নিয়ে উচ্চবাচ্য করা তাঁর কাছে স্রেফ বাতুলতা৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়