1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

যুদ্ধের নির্মম স্মৃতিচারণমূলক ছবি পেন্টাগনে

মার্কিন সৈন্যদের উপর প্রায় দেড় শ’ বছরের বিভিন্ন যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে নির্মিত হলো তথ্যভিত্তিক ছবি ‘যুদ্ধবিধ্বস্ত ১৮৬১-২০১০’৷ তবে মজার বিষয় হচ্ছে ছবিটির প্রথম প্রদর্শনী হলো খোদ মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, পেন্টাগনে৷

Pentagon, America, পেন্টাগন, যুদ্ধ, মার্কিন, USA, Film, Wartorn

পেন্টাগন

নিজের দেশের সৈন্যদের উপর নানা যুদ্ধের নির্মম স্মৃতি আর ভয়াবহ দৃশ্য এতদিন অনেকটা তাড়া করে ফিরতো সামরিক কর্মকর্তাদের মনোভাবকে৷ কারণ কখনও এমন ছবি কিংবা প্রামাণ্য দলিলকে স্বাগত জানাতে পারেন নি সেনা কর্মকর্তারা৷ তবে এই প্রথম একেবারে পেন্টাগনেই দেখানো হলো প্রায় দেড় শ' বছরের যুদ্ধের ঘটনাসমূহের তথ্যচিত্র৷ এমনকি সেখানে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর সর্বোচ্চ কর্মকর্তা জয়েন্ট চিফস অব স্টাফস সভাপতি অ্যাডমিরাল মাইক মালেন৷ ছিলেন বিভিন্ন সময়ের যুদ্ধে আহত-নিহত সেনা সদস্যদের পরিবারের সদস্যরাও৷

ফলে বোঝাই যাচ্ছে, এমন ঘটনাকে আর নিজেদের দুর্বলতা বলে মনে করছেন না সামরিক নীতি নির্ধারকরা৷ ইরাক ও আফগানিস্তানের মতো যুদ্ধগুলোর অদৃশ্য ক্ষতকে অনেকটা সাহসের সাথেই মেনে নিতে পারছেন তাঁরা৷ ছবিটির পরিচালক এবং প্রযোজক জন অ্যালপার্ট বলেন, ‘‘সামরিক দপ্তর এটিকে যেভাবে গ্রহণ করেছে এবং পেন্টাগনে এটির প্রদর্শনী করেছে সেটাই সবচেয়ে মজার বিষয়৷ তাঁরা এ বিষয়ে খোলামেলা কথা বলতে পছন্দ করেছেন, আসলেই এমন ঘটনা এটিই প্রথম৷''

এমনকি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ক্লান্তি বলে যাকে অভিহিত করা হয় অর্থাৎ সেই যুগের সেনা কর্মকর্তাদের যে অসহিষ্ণুতা, তার নানা চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে ছবিটিতে৷ যেমন দেখানো হয়েছে জেনারেল জর্জ প্যাটনের ঘটনা৷ যুদ্ধে মানসিক অবসাদগ্রস্ত এক সেনা সদস্য হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার সময়ও তাকে থাপ্পড় মেরেছিলেন প্যাটন৷ আর একইসাথে রাগে ফেটে পড়ে প্যাটন বলেছিলেন, ‘‘আমি হাসপাতালগুলোকে এমন সব কুকুরের বাচ্চা দিয়ে ভরে ফেলতে চাই না যারা যুদ্ধ করার হিম্মত রাখে না৷''

ছবিটিতে মুখ খুলেছেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয়ী অনেক সেনা সদস্য৷ সেখানে তাঁরা প্রকাশ করেছেন যুদ্ধে তাদের তিক্ত অভিজ্ঞতার কাহিনী এবং যুদ্ধের পরে তাদের মানসিক অবস্থার কথা৷ যাহোক, ‘ওয়ারটর্ন ১৮৬১-২০১০' প্রথম সম্প্রচারিত হতে যাচ্ছে ১১ নভেম্বর এইচবিও'তে ৷ ১৯১৮ সালের ১১তম মাসের ১১তম দিন বেলা ১১টার সময় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি উপলক্ষ্যে পালিত ‘ভেটারেনস ডে'তে মুক্ত করা হবে এই তথ্যচিত্র৷

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক