1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

যুদ্ধাপরাধ: সুবহানের বিরুদ্ধে রায় যে কোনো দিন

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মুহাম্মদ আবদুস সুবহানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় অপেক্ষমান রাখা হয়েছে৷ তবে যে কোনো দিন তা ঘোষণা করা হতে পারে৷ এ নিয়ে মোট চারটি মামলার রায় অপেক্ষমান থাকলো৷

আর ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের আপিল শুনানির জন্য আগামী ১৪ই জানুয়ারি তারিখ নির্ধারণ করেছেন আপিল বিভাগ৷

বৃহস্পতিবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২-এ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মুহাম্মদ আবদুস সুবহানের মামলার কার্যক্রম শেষ হয়৷ রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি তুহিন আফরোজ শেষ দিনের মতো যুক্তি উপস্থাপন করেন৷ তাঁর যুক্তি উপস্থাপন শেষে আদালত মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান বলে জানায়৷

গত বছরের ৩১শে ডিসেম্বর সুবহানের বিরুদ্ধে গণহত্যা, হত্যা, অপহরণ, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের নয়টি অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল৷

সুবহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁর নেতৃত্বে একাত্তরের ১৭ই এপ্রিল পাকিস্তানি সেনা ও স্থানীয় রাজাকাররা পাবনার ঈশ্বরদী পৌরসভার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে তিন ব্যক্তিকে অপহরণ করে স্থানীয় রেলওয়ের কয়লার ডিপোতে নিয়ে আটকে রেখে নির্যাতন করে৷ পরদিন ১৮ই এপ্রিল তাঁদের হত্যা করা হয়৷ ১৩ই এপ্রিল তাঁর নেতৃত্বে পাকিস্তানি সেনারা ঈশ্বরদী থানার পাকশি ইউনিয়নের যুক্তিতলা গ্রাম ও সংলগ্ন কয়েকটি বাড়িঘরে লুটপাটের পর আগুন দেয় এবং হত্যাযজ্ঞ চালায়৷ এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে এবং মে মাসের ১৬ থেকে ১৯ তারিখের মধ্যে ঈশ্বরদীর অরণখোলা গ্রামে লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, অপহরণের পর আটকে রেখে নির্যাতনের ঘটনা ঘটে৷ এসব অপরাধের পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে সুবহান জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ৷



এছাড়া ঈশ্বরদী থানার সাহাপুর, পাবনা সদর থানার দোগাছি এবং কুলুনিয়া গ্রামে হত্যাযজ্ঞ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার জন্যও তাঁকে দায়ী করা হয়৷

পাবনার সুজানগর থানার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের মোমরাজপুর গ্রাম, কুড়িয়পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তা, ফকিত্‍পুর গ্রাম, কন্দর্পপুর গ্রামের কাছে পদ্মা নদীর পাড় ও গুপিনপুর গামের আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও হিন্দু জনগোষ্ঠীর ওপর হামলা এবং ব্যাপক লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে৷

২০১২ সালের ২০শে সেপ্টেম্বর পাবনার একটি ফৌজদারি মামলায় সুবহানকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেপ্তার করে৷ ২৩শে সেপ্টেম্বর তাঁকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক দেখানো হয়৷ ওই সময় থেকেই তিনি কারাগারে আটক আছেন৷

মানবতাবিরোধী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ নিয়ে মাওলানা সুবহানসহ চারটি মামলা রায়ের জন্য অপেক্ষমান আছে৷ বাকি তিনজন হলেন সাবেক সংসদ সদস্য এবং জাতীয় পার্টির নেতা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল জব্বার৷ তিনি পলাতক আছেন৷ জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম এবং সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার৷

অন্যদিকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফাঁসির দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের আপিল শুনানির জন্য আগামী ১৪ই জানুয়ারি তারিখ নির্ধারণ করেছে আপিল বিভাগ৷ গত ১৭ই জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২ মুজাহিদকে মুত্যুদণ্ডের রায় দেয়৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়