1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ায় গাজায় আনন্দ উদযাপন

দুই হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি এবং ৭০ জন ইসরায়েলির মৃত্যুর পর, মঙ্গলবার দুই পক্ষ দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে৷ এরপর থেকে গাজায় চলছে আনন্দ উদযাপন৷

মিশরের মধ্যস্থতায় স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটা থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর গাজার আকাশ এখন শান্ত৷ ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছে যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর গাজায় কোনো আক্রমণ চালানো হয়নি৷ গাজা থেকেও ইসরায়েলের উদ্দেশ্যে কোনো রকেট ছোড়া হয়নি৷

জাতিসংঘের হিসেবে ৮ জুলাই থেকে শুরু হওয়া সংকটে ফিলিস্তিনের নিহত হওয়া ২,১৪৩ জনের মধ্যে প্রায় ৭০ ভাগই বেসামরিক লোক৷ আর ইসরায়েলের নিহত হওয়া ৭০ জনের মধ্যে ৬৪ জনই সামরিক বাহিনীর সদস্য৷

বিশ্বাস হচ্ছে না আমি বেঁচে আছি!

কথাটি বলেন গাজার বাসিন্দা ৩২ বছরের মাহা খালেদ৷ আন্দন্দ উদযাপন করার এক ফাঁকে তিনি বলেন, ‘‘আমি কখনো চিন্তাও করিনি যে শেষ পর্যন্ত শান্তি আসবে৷'' যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসার পর গাজার রাস্তায় নেমে আসেন গাজাবাসীরা৷ রাস্তায় গাড়ির ভিড় জমে যায়৷ গাড়ি থেকে উচ্চস্বরে হর্ন বাজানো হয়৷ নারী, শিশু সহ অনেকেই ‘ভি' চিহ্ন দেখাতে থাকেন৷

কী আছে চুক্তিতে?

ফিলিস্তিনের প্রধান আলোচক আজম আল-আহমেদ জানিয়েছেন, ‘‘মিশরের উদ্যোগের মধ্যে গাজার উপর থেকে অবরোধ আংশিকভাবে খুলে দেয়ার বিষয়টি রয়েছে৷ এর ফলে পণ্য-সামগ্রী সহ খাদ্য সহায়তা গাজায় প্রবেশ করতে পারবে৷ এছাড়া ওষুধ এবং পানি, বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা মেরামত করার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও গাজায় ঢুকতে পারবে৷'' তবে কবে থেকে অবরোধ খুলে দেয়া হবে সেটা এখনো জানা যায়নি৷

এছাড়া মাছ ধরার জন্য গাজার জেলেদের ‘এখনই' নৌকা নিয়ে সাগরের ছয় মাইল পর্যন্ত যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে৷ ক'দিন পর সীমাটা বাড়িয়ে ১২ মাইল করা হতে পারে৷

চুক্তি অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার একমাসের মধ্যে আলোচনার জন্য আবারও দুই পক্ষের কায়রোয় মিলিত হবার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়৷ ইসরায়েলের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও একই রকম তথ্য দিয়েছেন৷

আন্তর্জাতিক বিশ্বের সমর্থন

ফিলিস্তিনিরা এই চুক্তিকে ‘স্থায়ী' যুদ্ধবিরতি বলছে৷ আর ইসরায়েলের এক কর্মকর্তা একে ‘শর্তহীন ও সময়ের ক্ষেত্রে বাধাহীন' চুক্তি বলে আখ্যায়িত করেছেন৷

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি এই চুক্তির প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ সমর্থনের কথা জানিয়ে দুই পক্ষকেই ‘‘চুক্তির শর্তগুলো পরিপূর্ণভাবে মেনে চলার'' আহ্বান জানিয়েছেন৷

জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি-মুন চুক্তির প্রতি সমর্থন জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন যে, ‘‘এটা (চুক্তি) ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত শান্তি চুক্তির মঞ্চ তৈরি করবে৷''

জেডএইচ/ডিজি (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়