1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি নিয়ে চাপের মুখে ম্যার্কেল

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা বিভাগ যে নজরদারি করছে তা সরকার জানতো না – এমন দাবি আশি ভাগ জার্মানই বিশ্বাস করেন না৷ বিষয়টিতে কঠোর হওয়ার চাপ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে ম্যার্কেল সরকারের ওপর৷ আসন্ন নির্বাচনে ইস্যু হয়ে দাঁড়াচ্ছে এটি৷

সেপ্টেম্বরেই জার্মানির সাধারণ নির্বাচন৷ আঙ্গেলা ম্যার্কেলের জন্য টানা তৃতীয়বার চ্যান্সেলর হওয়ার সুযোগ৷ নানা সময়ে অনেক চড়াই-উৎরাই লৌহমানবীর দৃঢ়তায় পেরিয়ে এলেও ক্রিস্টিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (সিডিইউ)-এর শীর্ষ নেত্রী এ মুহূর্তে কিছুটা কোণঠাসা অবস্থায়৷ গত মাসে এডওয়ার্ড স্নোডেন বেশ কিছু গোপন তথ্য ফাঁস করার মাধ্যমে সারা বিশ্বকে জানিয়ে দেন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দারা গুগল, ফেসবুক, স্কাইপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের আরো কিছু কোম্পানির সাইট ব্যবহারকারীদের তথ্য গোপনে জেনে নিচ্ছে৷ পরে যুক্তরাষ্ট্র সরকারও তা স্বীকার করেছে৷

ওবামা প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয় ‘প্রিজম' নামের একটি কর্মসূচীর মাধ্যমে গোয়েন্দারা অনেক দিন ধরেই এ তৎপরতা চালিয়ে আসছে৷ অথচ যুক্তরাষ্ট্র সফর করে এসে জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হান্স-পেটার ফ্রিডরিশ জার্মানির গোয়েন্দা বিষয়ক গোপন সংসদীয় কমিটিকে আবারও বললেন এ সব বিষয়ে জার্মানি আগে কিছু জানতোনা৷ কমিটির সদস্যদের প্রশ্নের জবাবে তাঁর যুক্তরাষ্ট্র সফর সম্পর্কে যে সব কথা বলেছেন সেগুলো বরং বিরোধীদের দিয়েছে আরো তোপ দাগানোর সুযোগ৷

বিরোধী সামাজিক গণতন্ত্রী এসপিডি দলের সংসদ সদস্য টোমাস অপারমান কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে তীব্র সমালোচনা করেছেন ক্ষমতাসীন এসপিডির৷ যুক্তরাষ্ট্রের বিষয়ে সরকারের আরো কঠোর হওয়া উচিত বলেও জানিয়েছেন তিনি৷ এদিকে কোলনে দেয়া এক ভাষণে চ্যান্সেলর ম্যার্কেল বলেছেন, ‘‘যুক্তরাষ্ট্রকে আমি বলতে চাই, জার্মানির মাটিতে জার্মান আইনই কার্যকর৷ ভবিষ্যতে আমরা এ আইনই প্রয়োগ করবো৷'' না করে উপায়ও নেই৷ এক জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের করিতকর্মা গোয়েন্দাদের তৎপরতার কথা জার্মানি জানতো না এটা শতকরা আশি ভাগ জার্মানই বিশ্বাস করেননা৷

এসিবি/এসবি (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়