1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা তৎপরতায় এবার ফ্রান্সের ক্ষোভ

ইন্টারনেট এবং টেলিফোনে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের আড়িপাতা নিয়ে জার্মানি, ব্রাজিল আর মেক্সিকো ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল আগেই৷ এবার যুক্তরাষ্ট্রের আরেক ‘মিত্র দেশ’ ফ্রান্সও ক্ষোভ প্রকাশ করে এমন তৎপরতার কারণ জানতে চেয়েছে৷

ফ্রান্সের দৈনিক লা মন্ডে-র প্রতিবেদন অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা এনএসএ-র গোয়েন্দারা ৭০ মিলিয়ন টেলিফোন কথোপকথন এবং ক্ষুদে বার্তা ‘পর্যবেক্ষণ' করে অসংখ্য ব্যক্তিগত কথোপকথন রেকর্ডও করেছে৷ এ নিয়ে ফ্রান্স স্বভাবতই ক্ষুব্ধ৷ প্রেসিডেন্ট ফ্রঁসোয়া ওলঁদের কার্যালয় বিবৃতি দিয়েই ক্ষোভ প্রকাশ করেছে৷ পাশাপাশি এমন তৎপরতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ব্যখ্যাও জানতে চেয়েছে দেশটি৷ প্রথমে প্যারিসে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত চার্লস রিভকিনকে ডেকে পাঠানো হয়৷ যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরিও সোমবার প্যারিসে ছিলেন৷ তাঁর কাছেও বিষয়টি সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য জানতে চেয়েছিলেন সাংবাদিকরা৷ তবে কেরি সরাসরি কিছু না বলে জানান যে, এ বিষয়ে তাঁর দেশ রাষ্ট্রীয় পর্যায়েই কথা বলবে৷

দুই দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ে কথা হয়েও গেছে একবার৷ হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রঁসোয়া ওলঁদের সঙ্গে বারাক ওবামার টেলিফোনে কথা হয়েছে৷ সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও জানিয়েছে হোয়াইট হাউস৷ তবে এমন আশ্বাসের কথা আগেও শোনা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে৷ ইন্টারনেট এবং টেলিফোনে আড়ি পাতার পক্ষে যুক্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে চলমান প্রক্রিয়ার কথা৷ ফ্রান্স সন্ত্রাসবাদ নির্মূলের পক্ষে, কিন্তু তা করতে গিয়ে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে এমন আচরণকে একেবারেই সমর্থনযোগ্য মনে করে না তারা৷ ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লোরঁ ফাবিয়ুসের বক্তব্যেই তা পরিষ্কার৷ তিনি বলেছেন, ‘‘সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পারস্পরিরক সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে – এ বিষয়ে আমরা সম্পূর্ণ একমত৷ তাই বলে আমাদের দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে কারো নাক গলানোকে উচিত মনে করা যায় না৷''

এসিবি/ডিজি (এপি, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন