1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞান বিষয়ক শীর্ষ পদক পেলেন ম্যার্কেল

শীর্ষ পর্যায়ের বিজ্ঞান বিষয়ক পদক পেলেন জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল৷ জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিষয়ে বিজ্ঞান ভিত্তিক নীতিমালার জন্যই ম্যার্কেলের শিরে শোভা পাচ্ছে এই পদক৷

default

চ্যান্সেলর ম্যার্কেলের হাতে পদক তুলে দিচ্ছেন লর্ড মার্টিন রিজ

বর্তমানে সারাবিশ্ব ম্যার্কেলকে একজন রাজনীতিক হিসেবে চিনলেও মূলত তিনি একজন পদার্থ বিজ্ঞানী৷ বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যের প্রখ্যাত বিজ্ঞান অ্যাকাডেমি ‘রয়্যাল সোসাইটি' রাজা দ্বিতীয় চার্লস স্মৃতি পদক তুলে দিলেন ৫৫ বছর বয়সি ম্যার্কেলের হাতে৷ ম্যার্কেলের ঝুলিতে এই পদক যোগ হওয়া প্রসঙ্গে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন বলেন, ম্যার্কেলের প্রতি যুক্তরাজ্য এবং সারা পৃথিবীর যে সম্মান তারই অন্যতম স্বীকৃতি এই পদক৷

রয়্যাল সোসাইটির সভাপতি মার্টিন রিজ বলেন, ইউরোপসহ সারাবিশ্বে বিজ্ঞানের উন্নয়নে যে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন, তারই স্বীকৃতিস্বরূপ ম্যার্কেলকে প্রদান করা হচ্ছে এই সম্মানজনক পদক৷ এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের ভূমিকাকে এগিয়ে নিতেও সহায়ক নীতিমালার জন্য তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ রিজ আরো বলেন, ‘‘জনগণের জীবনে এবং অর্থনীতির উপর বিজ্ঞান এবং বিজ্ঞান ভিত্তিক নীতিমালার প্রভাব সম্পর্কে একজন পেশাদার বিজ্ঞানী হিসেবে চ্যান্সেলর ম্যার্কেলের অত্যন্ত বিচক্ষণ বিবেচনা রয়েছে৷''

No-Flash Angela Merkel

জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল (ফাইল ছবি)

জার্মান বিজ্ঞানী এবং একইসাথে রাজনীতিক আঙ্গেলা ম্যার্কেলের আগে এই সম্মানজনক পদকটি পেয়েছেন ২০০৭ সালে ভারতের রাষ্ট্রপতি এপিজে আব্দুল কালাম এবং ১৯৯৮ সালে জাপানের সম্রাট আকিহিতো৷ প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মার্কিন সাময়িকী ‘ফোর্বস' দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা জার্মান চ্যান্সেলর ম্যার্কেলকে জার্মানির সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনীতিক এবং বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী নারীদের একজন বলে উল্লেখ করে৷

১৯৫৪ সালে হামবুর্গে জন্মগ্রহণ করেছিলেন ক্ষণজন্মা ব্যক্তিত্ব ম্যার্কেল৷ জানা গেছে, ম্যার্কেল তাঁর পরিবারসহ পূর্ব জার্মানিতে পাড়ি জমিয়েছিলেন ঠিক এমন সময় যখন অন্যান্যরা উল্টো দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় রত ছিল৷ বিজ্ঞানী ম্যার্কেল ৩৫ বছর পর্যন্ত রাজনীতির অঙ্গনের ছায়া মাড়াননি৷ কিন্তু বার্লিন প্রাচীর পতনের পর ঘটনাচক্রে তৎকালীন জার্মান চ্যান্সেলর হেলমুট কোলের নজরে পড়েন ম্যার্কেল৷ সেকারণেই একসময় ‘কোলে'র মেয়ে' হিসেবে পরিচিতি পান ম্যার্কেল৷

যুক্তরাজ্য সফররত ম্যার্কেল, এর আগে, বাকিংহ্যামশায়ারে মিলিত হন গর্ডন ব্রাউনের সাথে৷ বৈঠকে অর্থনীতি এবং বাণিজ্যসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে৷ ইউরোপে এখনও বিদ্যমান সমস্যাসমূহের সমাধানে ঐক্যবদ্ধভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে যুক্তরাজ্য এবং জার্মানি, এমনই মন্তব্য করেছেন ম্যার্কেল বৃহস্পতিবারের বৈঠকে৷

প্রতিবেদক: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়

সংশ্লিষ্ট বিষয়