1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

যা’তে ডাইনোসররা মরল, তা’তেই আপেল ধরল

ধাঁধা নয়, বৈজ্ঞানিক সত্য৷ আবিষ্কৃত হয়েছে বিজ্ঞানীরা এবার আপেলের জেনোম বার করার ফলে৷ অবশ্য গবেষণার লক্ষ্য হল আরো ভালো আপেল তৈরী করা৷

Apfelernte hat begonnen

পৃথিবীর জনপ্রিয়তম ফলগুলির মধ্যে একটি

আপেলের জেনোম'এ ৬০ কোটি ডিএনএ'র ‘‘ধাপ'' আছে, যেমন মই'এর ধাপ৷ ওদিকে আপেল আবার যে রোজাসিয়ে পরিবারের সদস্য, তা'তে পৃথিবীর এক তৃতীয়াংশ ফুলের গাছ, এবং সেই সঙ্গে পীচ, ব়্যাস্পবেরি, পেয়ার এবং স্ট্রবেরি'র মতো বহু ফলের গাছ অন্তর্ভুক্ত৷ এবং জেনেটিক পর্যায়ে এই সব ফলের গাছের মধ্যে সাদৃশ্য কম নয়: আপেলের ডিএনএ'র বেশ কিছু অংশ অন্যান্য ফলের গাছেও পাওয়া যায়৷

তফাৎ হল: আপেল আর তার চাচাতো ভাই পেয়ার'এর ১৭টা করে ক্রোমোজোম হয়, কিন্তু বাকিদের শুধু সাত থেকে ন'টা করে ক্রোমোজোম থাকে৷ সব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, এ' সব ফলেরই কোনো এক সাধারণ পূর্বপুরুষ ছিল৷ তার পরে পরিবারটা ভাগ হতে শুরু করে এই ধরুন পাঁচ থেকে সাড়ে ছ' কোটি বছর আগে৷

This is the skull of a Tyrannosaurus rex

বিলুপ্ত হওয়া টিরানোসরাস রেক্স

আরে! পৃথিবী থেকে ডাইনোসররা তো মোটামুটি ঐরকম সময়েই উধাও হয়েছিল৷ তা'হলে কি দু'টোর মধ্যে কোনো সম্পর্ক আছে? মহাশূন্য থেকে একটি সুবিশাল উল্কা এসে ভূপৃষ্ঠে আছড়ে পড়ে দাবানল ঘটায়, ছাই আর ধুলো উঠে আকাশ ঢেকে দেয় এবং সেই সঙ্গে চরম শৈত্যের সৃষ্টি করে৷ ডাইনোসররা সেই বিপর্যয়েই নিশ্চিহ্ন হয়৷

আপেলরা নাকি তাদের জেনোম'এর প্রায় সবটা নকল করে পীচ, ব়্যাস্পবেরি, স্ট্রবেরি ইত্যাদি থেকে আলাদা হয়ে যায়, বলেছেন নিউজিল্যান্ড প্ল্যান্ট এ্যান্ড ফুড রিসার্চ প্রতিষ্ঠানের সু গার্ডিনার, যিনি আপেলের জেনোম উদ্ধারে কাজ করেছেন - সে আবিষ্কারের কথা ‘নেচার জেনেটিক্স' জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে৷ সু বলেছেন, কোনো মুখ্য পরিবেশ সংক্রান্ত ঘটনা আপেল এবং অন্যান্য গাছদের শুধুমাত্র বাঁচার তাগিদে বিবর্তনের পথ বেছে নিতে বাধ্য করে৷

তাই বলছিলাম: যা'তে ডাইনোসররা মরে, তা'তেই আপেল ধরে৷

প্রতিবেদন: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: রিয়াজুল ইসলাম

নির্বাচিত প্রতিবেদন