1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ম্যার্কেল সরকারের ১০০ দিন

চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের নেতৃত্বাধীন খ্রিষ্টীয় গণতন্ত্রী-সামাজিক ইউনিয়ন ও মুক্ত গণতন্ত্রী দলের কোয়ালিশন সরকারের কর্মকালের ১০০ দিন পার হল৷

default

ফাইল ফটো

এই একশো দিনের খতিয়ান নিতে গিয়ে ডয়চে ভেলের রাজধানী সংবাদদাতা বেটিনা মার্ক্স মন্তব্য করেছেন এই বলে যে নতুন সরকারের শুরুটা ঠিকঠাক হয় নি৷

সিডিইউ/সিএসইউ আর এফডিপির কোয়ালিশন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, উদারপন্থী দলের প্রধান গিডো ভেস্টারভেলে নব্যউদার লাইন নিয়ে যতই সোচ্চার হ'ন না কেন, একথা বললে অত্যুক্তি হবেনা যে এ পর্যন্ত নতুন সরকারের জোর গলায় দেখানোর তেমন কিছু নেই৷ সরকারের প্রথম ১০০ দিন বলতে গেলে কোয়ালিশন শরিকদের বিবাদ আর আস্থাভাজন গ্রুপের প্রতি অনুগ্রহ বর্ষণে ব্যয় হয়েছে৷ হোটেলমালিক আর উত্তরাধিকারীদের জন্য কর হ্রাস করা হয়েছে৷ করছাড় দেয়া হয়েছে৷ কিন্তু তা থেকে লাভবান হয়েছে শুধুমাত্র উঁচু আয়ের মানুষরা৷ পরমাণু বিদ্যুত কেন্দ্র ধাপে ধাপে বন্ধ করে দেয়ার প্রশ্নে আগের ঐকমত্য থেকে সরে আসার আভাস দেয়া হচ্ছে৷ অথচ ঐ ঐকমত্য সামাজিক শান্তির পথ প্রশস্ত করেছিল৷ স্বাস্থ্যনীতি আবার এতটাই ঢেলে সাজানোর কথা বলা হচ্ছে যে তা থেকে মনে হতে পারে, চিকিৎসা হবে যেন দুটি শ্রেণীর জন্য দু'রকম৷

১০০ দিনের খতিয়ানে বিশেষ করে উদারপন্থি দলের ভাল নম্বর পাওয়ার জো নেই৷ কোয়ালিশনের বড় দল খ্রিষ্টীয় গণতন্ত্রীদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলতেই হয় যে তারা বিপুল অংকের রাষ্ট্রীয় ঋণ আর অর্থনৈতিক সংকট থেকে বেরিয়ে আসার পথ প্রশস্ত করতে সরকারের প্রথম মাসগুলোকে ফলপ্রসূভাবে কাজে লাগায় নি৷ বরং সিডিইউ/সিএসইউ-কে এফডিপি যেন নাকে দড়ি দিয়ে ঘুরিয়েছে৷

জনমত সমীক্ষার ফল থেকে দেখা যাচ্ছে যে, জার্মানদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশই চায় সংহতি আর সামাজিক ভারসাম্য৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও জার্মান সরকার করহ্রাসের নীতি অব্যাহত রাখছে৷ এই নীতি এমনকি রক্ষণশীল অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরাও ভুল বলে মনে করছেন৷

সংসদের কর্মকালের প্রথম মাসগুলোতেই পরাষ্ট্রনীতি হয়েছিল কুন্দুসের ঘটনায় পীড়িত৷ এর ফলে সরকার গঠিত হবার মাত্র এক মাস পরেই তখনকার প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়৷ রদবদল করতে হয় মন্ত্রীসভায়৷ কাঙ্খিত কোয়ালিশনের শুরুতেই যেন পা পিছলে যায়৷ লন্ডনের আফগানিস্তান সম্মেলনের ঠিক আগে সাংবাদিকদের সামনে সরকারের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি থেকে সমন্বয়হীনতার ছবি অত্যন্ত স্পষ্ট হয়েওঠে৷ চ্যান্সেলর এবং তাঁর তিন মন্ত্রী প্রায় একই সময় চার চারটি সাংবাদিক সম্মেলন করে আফগানিস্তান নিয়ে কালো-হলুদ কোয়ালিশন সরকারের নতুন অভিন্ন কৌশলের কথা জনসাধারণকে অবহিত করেন৷

এরকম এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনের যুক্ত কোন সময়সূচি বের করা স্পষ্টতই সম্ভব হয়নি৷

সরকারের প্রথম ১০০ দিন আস্থাউদ্দীপক মনে হয় নি৷ আগামী সাড়ে তিন বছরের দিকে গভীর আস্থা নিয়ে চোখ রাখা কী সম্ভব হবে? কে জানে!

প্রতিবেদক: বেটিনা মার্ক্স

ভাষান্তর: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়