1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

ম্যার্কেল-পুটিন সাক্ষাৎ: প্রতীক্ষা ও প্রত্যাশা

ইউক্রেন সংকট শুরু হওয়া যাবৎ জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিনের মধ্যে প্রথম সাক্ষাৎ৷ পরিবেশ শুরুতে ছিল শীতল৷ শেষে চূড়ান্ত ঘোষণাও সংক্ষিপ্তই থেকেছে৷

ম্যার্কেল রুশ প্রেসিডেন্টের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, পুটিন যেন ইউক্রেনের পরিস্থিতিতে স্থিতি আনার জন্য সর্বসাধ্য প্রয়োগ করেন৷ ম্যার্কেল এই প্রত্যয় প্রকাশ করেন যে, ইউক্রেনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সম্পন্ন হবার পর এবার ‘‘বিশেষ করে পূর্ব ইউক্রেনে স্থিতি আনার জন্য'' সচেষ্ট হবার সময় এসেছে৷ সেক্ষেত্রে রাশিয়াকে তার ‘‘বিপুল দায়িত্ব'' পালন করতে হবে৷

জার্মান প্রতিনিধিদলের বিবৃতি অনুযায়ী, ম্যর্কেল ও পুটিন সব মিলিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা কথা বলেন৷ বিগত কয়েক সপ্তাহে ম্যার্কেল একাধিকবার পুটিনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন, কিন্তু তাঁদের সর্বশেষ সাক্ষাৎ গতবছরের ৬ই সেপ্টেম্বর সেন্ট পিটার্সবার্গে, জি-টোয়েন্টি শীর্ষবৈঠক উপলক্ষ্যে৷

পুটিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেস্কভ ইন্টারফ্যাক্স সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন: ‘‘পুটিন এবং ম্যার্কেল পুরোপুরি ইউক্রেনের ব্যাপারে কথাবার্তা বলেছেন, সমস্যা সমাধানের পন্থা খুঁজেছেন৷'' দু'জনের মধ্যে মতপার্থক্য ছিল কিনা, এ প্রশ্নের জবাবে পেস্কভ বলেন: ‘‘ঠিক তাই নিয়েই কথা হয়েছে৷'' পেস্কভ স্বয়ং উভয় নেতার সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন৷

সাক্ষাতের সূচনায় পুটিন ও ম্যার্কেল করমর্দন করেছেন বটে, কিন্তু কিছুটা শীতলভাবে৷ দু'জনে নিজের নিজের দেশের পতাকার সামনে একটি ছোট টেবিলে বসে থেকেছেন, তবে পরস্পরের থেকে পর্যাপ্ত দূরত্ব রেখে৷ সাক্ষাতে ম্যার্কেলের মুখ ছিল গম্ভীর৷ দু'জনের মধ্যে যে সাইড টেবিলটি ছিল, তার অপরপাশে বসে পুটিনও ম্যার্কেলের দিকে নজর ফেরাননি৷

৭০ বছর আগে ফ্রান্সের নর্মান্ডিতে মিত্রশক্তিদের স্থলাভিযান শুরু হয়৷ সেই উপলক্ষ্যে বিশ্বের নেতৃবৃন্দ ফ্রান্সে সম্মিলিত হয়েছেন৷ শুক্রবার দুপুরে ছিল ১৯ জন নেতার মধ্যাহ্নভোজন৷ তার স্বল্প আগে অন্যান্য নেতারা যখন ইতিমধ্যেই ভোজনশালায় প্রবেশ করেছেন, তখন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট-ইলেক্ট পেত্রো পোরোশেঙ্কো, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিন ও জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলকে বাইরে দাঁড়িয়ে কয়েক মিনিটের জন্য আলাপ করতে দেখা যায়৷ কি নিয়ে কথা হচ্ছিল, রিপোর্টাররা তা শুনতে পাননি৷

তবে ম্যার্কেল যে তাঁর কূটনীতি চালিয়ে যাচ্ছেন, সেটা তাঁরা বুঝতে পেরেছেন নিশ্চয়৷

এসি/ডিজি (ডিপিএ, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়