1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

ম্যার্কেলের সমালোচনা করে বিপাকে লাগারফেল্ড

জার্মানিতে লাখ লাখ অভিবাসীকে প্রবেশ করতে দেয়ায় চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সমালোচনা করেছেন জার্মান ফ্যাশন ডিজাইনার কার্ল লাগারফেল্ড৷ তবে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে ফ্রান্সের গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা৷

শনিবার ফ্রান্সের একটি জনপ্রিয় টক শো'তে অংশ নিয়েছিলেন লাগারফেল্ড৷ সেখানে করা তাঁর মন্তব্যের প্রেক্ষিতে সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় বইছিল৷ ফ্রান্সের গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা সোমবার জানায়, তাদের কাছে লাগারফেল্ডের বিরুদ্ধে শত শত অভিযোগ জমা পড়েছে৷ তার প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু হয়েছে৷

টকশোতে ম্যার্কেলের সমালোচনা করতে গিয়ে লাগারফেল্ড হলোকস্টের বিষয়টি সামনে নিয়ে আসেন৷ তিনি বলেন, ‘‘একজন -- কয়েক দশকের ব্যবধান থাকার পরও-- কয়েক লক্ষ ইহুদিকে হত্যা করতে পারে না, তাই আপনি তাদের (ইহুদিদের) কয়েক লক্ষ চরম শত্রুকে নিয়ে আসতে পারেন৷'' এই ফ্যাশন ডিজাইনার বলেন, ‘‘আমি জার্মানিতে একজনকে চিনি, যিনি সিরীয় এক তরুণকে আশ্রয় দিয়েছিলেন৷ ঐ তরুণ চারদিন পর তাঁকে (আশ্রয়দানকারীকে) বলেছিল, জার্মানদের সবচেয়ে ভালো উদ্ভাবন হচ্ছে হলোকস্ট৷''

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালেজার্মানিতে প্রায় নয় লক্ষ শরণার্থী প্রবেশ করে৷ এর বেশিরভাগই সিরিয়া থেকে আসা মানুষ৷ সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ থেকে পালাতে তাঁরা ইউরোপে, বিশেষ করে জার্মানিতে প্রবেশ করে৷

ম্যার্কেলের এই শরণার্থী নীতি অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক রাজনীতিতে দারুণ প্রভাব ফেলেছে৷

লাগারফেল্ড বলেন, ‘‘আগে থেকেই ম্যার্কেলের লক্ষ লক্ষ অভিবাসী ছিল, যারা জার্মান সমাজে ভালোভাবে ইন্টিগ্রেটেড হয়েছিল, কাজ করছিল, সবকিছু ভালোই ছিল... কিন্তু তারপর আবার নতুন করে লক্ষ লক্ষ শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে গ্রিক সংকটের পর তৈরি হওয়া নিজের (ম্যার্কেলের) খারাপ সৎ মা'র ইমেজ উন্নয়নের প্রয়োজন ছিল না৷''

‘‘হঠাৎ করে আমরা যাজকের মেয়েকে দেখলাম,'' যোগ করেন লাগারফেল্ড৷ উল্লেখ্য, ম্যার্কেলের বাবা সাবেক পূর্ব জার্মানিতে প্রোটেস্ট্যান্ট যাজক ছিলেন৷

সামাজিক মাধ্যমে লাগারফেল্ডের বক্তব্যের ব্যাপক সমালোচনা হওয়ার পর ফ্রান্সের গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, তারা টক শো'টি রিভিউ করে দেখবে৷ তারা খতিয়ে দেখবে, লাগারফেল্ডের বক্তব্য প্রসঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কোনো মন্তব্য প্রয়োজন হবে কিনা৷

জেডএইচ/এসিবি (এএফপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়