1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

মোবাইল সেট ভিন্ন হোক, চার্জার একই

একই মোবাইল চার্জার চলবে গোটা ইউরোপে৷ এই পরিকল্পনা এখন বাস্তবায়ন হওয়ার পথে৷ আগামী বছরই আসছে সেই চার্জার৷

default

ভবিষ্যতে এমন আর থাকবে না

আপনি যত দূরেই যান, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার উপায় কি আর এখন আছে ? আর সে কাজটি করে দেয় মোবাইল ফোন৷ কিন্তু মোবাইল সেটের সঙ্গে যে লেজ হয়ে একটা চার্জারও সঙ্গী হয়৷ কারণ তা না থাকলে তো সেটটিও হয়ে পড়তে পারে নিশ্চল৷ মোবাইলের চার্জার নিতে যাদের মনে থাকে না, সেই ভুলোমনোদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে ইউরোপীয় কমিশন৷ তা হলো, এখন ভুল করে চার্জার ফেলে গেলেও সমস্যা নেই৷ কাজ চালানো যাবে যে কারো চার্জার দিয়েই৷

ইউরোপীয় কমিশনের মুখপাত্র ডেনিস অ্যাবোট গত সপ্তাহেই জানালেন, সব মোবাইল সেটের জন্য এক ধরনের চার্জার আগামী বছরের জানুয়ারিতেই আসছে ইউরোপের বাজারে৷ এই জন্য নোকিয়া, সনি এরিকসন, স্যামসং, অ্যাপলসহ বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে৷ এবং তারা রাজিও হয়েছেন৷ বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭ সদস্য রাষ্ট্রের জন্য এক ধরনের চার্জার তৈরি করা হবে৷

ভুলোমনোদের সুবিধা দিতেই ইউরোপীয় কমিশনের এই সিদ্ধান্ত, কেউ যদি এটা ভাবেন তবে ভুল করবেন৷ এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, বর্জ্য কমানো৷ কারন বর্জ্যের ভারে ভারক্রান্ত এখন পুরো পৃথিবী৷ তা একটু লাঘব করতেই এই চেষ্টা৷ বিষয়টা এমন, ধরুন, আপনার পরিবারে সদস্য পাঁচজন৷ একেক জনের পছন্দ একেক রকম৷ তাই কয়েক ধরনের মোবাইল সেটের সঙ্গে সঙ্গে আলাদা আলাদা সেটও আসে৷ এখন নতুন চার্জার এলে একটাতেই হয়ে যাবে সবার কাজ৷ ‘‘এটা বেশ মজার হবে, তাই না'', বললেন অ্যাবোট৷ তিনি একই সঙ্গে তুলে ধরলেন কিছু তথ্য, চার্জার কী পরিমাণ বর্জ্য তৈরি করতে পারে৷

অ্যাবোট বললেন, ‘‘একটি ঘরেই ছয়টি চার্জার দেখেছি আমি৷ প্রতি সেটের জন্য যদি একটা চার্জার থাকে, তবে ইউরোপে প্রতি বছর ৫০ হাজার টন বৈদ্যুতিক বর্জ্য যোগ হয়৷ এখন যদি একই চার্জারে সব ফোনে চার্জ দেওয়া যায়, তবে তা পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে৷'' আর এতে জ্বালানি খরচও কমে আসবে বলে আশাবাদী অ্যাবোট৷ তবে এর মধ্যে হতাশার খবর তাদের জন্য, যাদের মোবাইল সেটটি পুরনো বা মান্ধাতার আমলের৷ নতুন চার্জারে তাদের কাজ না-ও হতে পারে৷ তাই এই সুবিধা পেতে হলে তাদের কাজ হবে এখন হালফ্যাশনের একটি মোবাইল সেট কিনে নেওয়া৷

প্রতিবেদন: মনিরুল ইসলাম

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন