1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

মোটামুটি নির্বিঘ্নেই পালিত হল ভারতের ৬১-তম প্রজাতন্ত্র দিবস

কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পালিত হল ভারতের ৬১-তম প্রজাতন্ত্র দিবস৷ দিল্লিতে অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল সামরিক কুচকাওয়াজ আর সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের চলমান দৃশ্যসজ্জা৷ প্রধান অতিথি ছিলেন দঃ কোরিয়ার প্রসিডেন্ট লি ইউং বাক৷

Republic Day, Indian

নির্বিঘ্নেই পালিত হল প্রজাতন্ত্র দিবস

সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কা,মাওবাদীদের হরতাল, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বয়কটের মুখে গোটা দেশ, বিশেষ করে দিল্লিকে মুড়ে ফেলা হয় নিরাপত্তার বলয়ে৷ সাময়িকভাবে সিল করে দেওয়া হয় দিল্লির আকাশপথ ও লাগোয়া রাজ্যগুলির সঙ্গে সড়ক পথ৷ কড়া নজরদারি রেলষ্টেশনে, বাস টার্মিনাসে৷ উচুঁ বিল্ডিং-এ নিশানাবাজ বন্দুকধারি৷ প্রায় ৫০ হাজার নিরাপত্তা কর্মীর সতর্ক দৃষ্টি৷

প্রজাতন্ত্র দিবসের মূল আকর্ষণ সামরিক কুচকাওয়াজ৷

Flash Indien Republic Day 2011

তুলে ধরা হয় সামরিক শক্তি হিসেবে ভারতের ছবি৷ দেশে তৈরি অর্জুন ট্যাঙ্ক,মাঝারি পাল্লার পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম অগ্নি – তিন ক্ষেপনাস্ত্র, দেশে তৈরি হাল্কা লড়াকু বিমান তেজস, শব্দের চেয়ে দ্বিগুণ দ্রতগামী ক্ষেপনাস্ত্র শৌর্য, জঙ্গি বিমান সুখয়-৩০,মিগ-২৯ এবং জাগুয়ার৷

দঃ এশিয়ায় সামরিক ভারসাম্যের মূল্যায়ণে ভারতকে এই অঞ্চলের ‘সুপার পাওয়ার' বলা যায় কিনা বিশেষ করে চীনকে সামনে রেখে৷ এই প্রসঙ্গে কল্যানী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ পূজন সেন ডয়চে ভেলেকে বলেন, ভারত সামরিক দিক থেকে শক্তিশালী সন্দেহ নেই৷ কিন্তু এই শক্তিকে বিচার করতে গেলে এর সঙ্গে যুক্ত করতে হবে অর্থনৈতিক শক্তিকেও৷ তবে ভারত ও চীন কেউ ন্যাচারাল শক্তি হয়ে উঠতে পারেনি এখনও এই অঞ্চলে৷ তবে চীন অপেক্ষাকৃত শক্তিশালী দেশ হলেও চীনের ভেতরে আছে অন্তর্বিরোধ৷ কমিউনিস্ট দেশ হিসেবে যেটা বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই৷

Indien Republic Day 2011

যেমন, চীনে মুসলিম সম্প্রদায় চাইছে আলাদা জাতি সত্তা৷ সোভিয়েট ইউনিয়ন ভেঙ্গে যাবার মূলেও ছিল এই অন্তর্বিরোধ, কমিউনিস্ট জমানায় সেটা বোঝা যেতনা৷ অন্যদিকে গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে ভারতের সব কিছুই খোলা পাতা৷ পাশাপাশি ভারতের সংবিধানে প্রদত্ত অধিকারের কথা যদি ধরেন, তাহলে বলা যায় যে, সব অধিকার পূরণ না হলেও আংশিক হয়েছে৷ ভারত বড় দেশ, বিরাট এর জনসংখ্যা এই সব সমস্যা আছে৷ আছে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনার ধীরগতি, বারংবার সংবিধান সংশোধন, রাজনৈতিক মতান্তর, বিচার বিভাগের অতিসক্রিয়তা ইত্যাদি৷

প্রতিবেদন: অনিল চট্টোপাধ্যায়, নতুনদিল্লি

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়