1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

মে মাসে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ তুলতে পারে জার্মানি

জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টোমাস ডেমেজিয়ের বলেছেন, অস্ট্রিয়া থেকে জার্মানিতে শরণার্থী আসার সংখ্যা অনেক কমে এসেছে৷ এমন চলতে থাকলে মে মাসের মাঝামাঝি সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ তুলে দেয়া হতে পারে৷

অস্ট্রিয়ার প্রচারমাধ্যম ওআরএফ-কে দেয়া সাক্ষাৎকারে ডেমেজিয়ের বলেন, মার্চ মাসে প্রতিদিন গড়ে ১৪০ জন শরণার্থী অস্ট্রিয়া সীমান্ত পাড়ি দিয়ে জার্মানিতে প্রবেশ করেছে৷ গত সেপ্টেম্বরে সংখ্যাটা ছিল প্রায় ১০ হাজার৷ সে কারণে অস্ট্রিয়া-জার্মানি সীমান্তে সাময়িক নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে জার্মানি৷

শরণার্থী প্রবেশ ঠেকাতে অস্ট্রিয়া তাদের সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ করায় এবং শরণার্থীদের ব্যবহার করা বলকান রুট বন্ধ করে দেয়ায় অস্ট্রিয়া থেকে জার্মানিতে শরণার্থী প্রবেশের সংখ্যা কমেছে বলে জানান ডেমেজিয়ের৷

19051349

এদিকে, বলকান রুট বন্ধ থাকায় শরণার্থীরা এখন অস্ট্রিয়া-ইটালি সীমান্তের ‘ব্রেনার পাস' ব্যবহার করে অস্ট্রিয়া, জার্মানি সহ উত্তর ইউরোপের দেশগুলোতে আসার চেষ্টা করতে পারে৷ সেটা যদি হয় তাহলে অস্ট্রিয়া সেখানেও কড়াকড়ি নিয়ন্ত্রণ করবে বলে জানিয়েছে৷ এ ব্যাপারে অস্ট্রিয়াকে জার্মানির সহায়তা করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন জার্মানির পরিবহণমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডোবরিনড্ট৷ এর ফলে জার্মানিতে যে শরণার্থীরা স্বাগত নয় তেমন একটি সংকেত দেয়া যাবে বলে মনে করেন তিনি৷ উল্লেখ্য, ডোবরিনড্ট-এর দল সিএসইউ সরকারের অংশ হলেও চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের শরণার্থী নীতির বড় সমালোচক৷

লেসবসে যাবেন পোপ

গ্রিসের লেসবসে থাকা শরণার্থীদের অবস্থা দেখতে আগামী সপ্তাহে সেখানে যাবেন পোপ ফ্রান্সিস৷ গ্রিসের সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে এএফপি বলছে, আগামী ১৪ কিংবা ১৫ তারিখ পোপ লেসবসে যাবেন৷ সঙ্গে থাকবেন ইস্টার্ন অর্থোডক্স চার্চের প্রধান৷ গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী আলেক্সিস সিপ্রাস তাঁদের সঙ্গে থাকবেন৷

পোপ সেখানে এমন সময় যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন যখন ইইউ-তুরস্ক চুক্তির আওতায় লেসবস সহ গ্রিসের অন্যান্য এলাকা থেকে প্রত্যাখ্যাত অভিবাসনপ্রত্যাশীদের তুরস্কে পাঠানো হচ্ছে৷ তবে এভাবে তুরস্ক যাওয়া ঠেকাতে আপ্রাণ চেষ্টা করছেন লেসবসে থাকা অভিবাসনপ্রত্যাশীরা

ভিডিও দেখুন 02:33

জেডএইচ/ডিজি (এএফপি, রয়টার্স)

মে মাসে সীমান্তে নিয়ন্ত্রম তুলে দেওয়াটা কি জার্মানির উচিত হবে? আপনি কী মনে করেন?

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়