মে মাসে শুরু হচ্ছে ‘পথশিশুদের বিশ্বকাপ’ | বিশ্ব | DW | 15.04.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ফুটবল

মে মাসে শুরু হচ্ছে ‘পথশিশুদের বিশ্বকাপ’

আগামী জুন মাসে রাশিয়ায় ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে যাচ্ছে৷ তার আগে মে মাসে রাশিয়াতেই শুরু হচ্ছে পথশিশুদের বিশ্বকাপ৷ ২৪টি দেশের দু'শোর বেশি শিশু এতে অংশ নেবে৷

default

২০১৪ সালের পথশিশু বিশ্বকাপে অংশ নেয়া ব্রাজিল নারী দলের দুই সদস্য

এবার তৃতীয়বারের মতো এই বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে৷ এর আগে ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় এবং ২০১৪ সালে ব্রাজিলে এই বিশ্বকাপের আয়োজন করা হয়েছিল৷

প্রথম বিশ্বকাপের দলগুলো ছেলে আর মেয়েদের একসঙ্গে করে তৈরি করা হয়েছিল৷ পরের বিশ্বকাপে ছেলে আর মেয়েদের আলাদা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়৷ সেবার ছেলেদের বিভাগে বুরুন্ডিকে ৩-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তাঞ্জানিয়া৷ আর মেয়েদের গ্রুপে সেরা হয়েছিল ব্রাজিল৷ তারা ১-০ গোলে ফিলিপাইন্সকে হারিয়েছিল৷

পথশিশুদের অধিকার সম্পর্কে বিশ্বকে সচেতন করতে এমন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে ব্রিটিশ দাতব্য সংস্থা ‘স্ট্রিট চাইল্ড ইউনাইটেড’৷ খেলার পাশাপাশি ঐ সময়ে শিশুদের অধিকার নিয়ে সম্মেলনও অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে৷

মেক্সিকো দলের আফগান প্রশিক্ষক

এবারের পথশিশু বিশ্বকাপে ভারত, ব্রাজিল, মেক্সিকোসহ ২৪টি দেশ অংশ নিচ্ছে৷ মেক্সিকোর নারী দলের প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন খালিদা পপাল৷ একসময় তিনি আফগানিস্তানের নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন৷ সেসময় নারী ও মেয়েদের মধ্যে ফুটবল প্রসারে কাজও করেছেন৷ কিন্তু তা করতে গিয়ে পুরুষদের বাধার মুখে পড়েছিলেন৷ পুরুষরা বলতেন, ফুটবল মেয়েদের খেলা নয়, মেয়েদের উচিত রান্নাঘরে থাকা আর বাসনকোসন ধোয়া৷ এরপর একসময় তালেবানের হুমকি পেয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন পপাল৷ এখন বাস করছেন ডেনমার্কের কোপেনহাগেনে৷ সেখানে ‘গার্ল পাওয়ার অর্গানাইজেশন’ নামে একটি সংগঠন চালু করেছেন৷ এই সংস্থা ফুটবল ও খেলাধুলার মাধ্যমে অভিবাসী, এলজিবিটি সম্প্রদায়ের মানুষসহ সংখ্যালঘুদের সমাজে ভালোভাবে ‘ইন্টিগ্রেটেড’ হতে সহায়তা করে৷ এছাড়া পথশিশুদের বিশ্বকাপের আয়োজক স্ট্রিট চাইল্ড ইউনাইটেড-এর দূত হিসেবেও কাজ করছেন পপাল৷

Afghanistan Frauen Fußball Training Khalida Popal

খালিদা পপাল

তাঁর এখনকার জীবনযাপনের সঙ্গে পথশিশুদের জীবনের মিল খুঁজে পান পপাল৷ ‘‘পরিবার, পরিচয়, নেটওয়ার্ক ছাড়া বাস করার মানে আমি জানি,’’ বলেন তিনি৷ প্রশিক্ষণ নেয়া মেয়েদের জন্যও পপালের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা অনুপ্রেরণা হয়ে উঠছে৷ ১৫ বছরের জাজমিন বলছে, ‘‘তাঁর (পপাল) ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা অনেকটা আমাদের মতো৷ খুবই কঠিন৷ কিন্তু তারপরও তিনি এগিয়ে গেছেন, এবং আমার মতো, ফুটবলার হতে চেয়েছেন৷’’

জাজমিনসহ প্রায় একশোর বেশি শিশুকে সহায়তা দিয়ে থাকে মেক্সিকোর বেসরকারি সংস্থা ‘কাসা আলিয়াঞ্জা’৷ এদের অনেকেই সহিংসতা, যৌন হয়রানি ও পাচারের শিকার হয়েছে৷ বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া নারী দলের সদস্যরা এই সংস্থা থেকে সহায়তা পেয়ে থাকে৷

জাতিসংঘের হিসেবে, বর্তমানে সারা বিশ্বে প্রায় দেড়শ মিলিয়ন শিশু রাস্তায় বাস করছে৷

জেডএইচ/ডিজি (থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশন)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়