1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সৌদি আরব

মেয়েদের শারীরিক শিক্ষা চালু করছে সৌদি আরব

ধীরে হলেও মেয়েদের প্রতি উদার নীতি অবলম্বনের পথে হাঁটছে সৌদি আরব৷ বাক স্বাধীনতা ও নারী অধিকার প্রশ্নে সদা সমালোচিত দেশটি শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিতে চলেছে৷ সে দেশে এ বছরই চালু হতে চলেছে মেয়েদের শারীরিক শিক্ষা৷

মঙ্গলবার সৌদি আরবের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে৷ বিবৃতিতে জানানো হয়, শরিয়া আইনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে মেয়েদের জন্য শারীরিক শিক্ষা চালু করা হবে৷ আরো জানানো হয়, শুরুতেই পুরোদমে চালু করা সম্ভব নয় বলে পর্যায়ক্রমে দেশের সব ছাত্রীকে শারীরিক শিক্ষার আওতায় নেয়া হবে৷ তবে ‘শারীরিক শিক্ষা' বিষয়টি পাঠক্রমের বাইরে ‘ঐচ্ছিক' হিসেবে থাকবে, নাকি বাধ্যতামূলক হবে – বিবৃতিতে তা স্পষ্ট করা হয়নি৷

সৌদি আরবে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য শারীরিক শিক্ষা চালুর প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছিল ২০১৪ সালে৷ কিন্তু শুরা কাউন্সিলের অনুমোদন দেয়ার পরই ধর্মগুরুরা এই উদ্যোগকে ‘পশ্চিমা সংস্কৃতির অনুকরণ' বলে সমালোচনামুখর হয়ে ওঠেন৷ ফলে তখন আর তা কার্যকর করা যায়নি৷

মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি প্রকাশের পর কট্টর ইসলামপন্থিদের প্রতিক্রিয়া পাওয়া না গেলেও নারীদের পক্ষ থেকে অনেকেই সাধুবাদ জানিয়েছেন৷

লিনা আল-মাঈনা সৌদি আরবে সুপরিচিত নাম৷ শুরা কাউন্সিলের সদস্য তিনি৷ এছাড়া দেশে প্রথম নারীদের ক্রীড়া সংগঠন (জেদ্দাহ ইউনাইটেড বাস্কেটবল ক্লাব)-এরও প্রতিষ্ঠাতা৷ মেয়েদের শারীরিক শিক্ষা প্রদান বিষয়ে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি প্রসঙ্গে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েট প্রেসকে তিনি বলেন, ‘‘এ এক ঐতিহাসিক ঘোষণা৷ খেলাধুলার অপর নামই তো ক্ষমতায়ন৷''

সৌদি আরবে নারীদের এখনো গাড়ি চালানোর অনুমতি নেই৷ বিদেশ ভ্রমণ বা পাসপোর্ট করানোর আগে পরিবারের কোনো পুরুষ সদস্যের অনুমতি নেয়া বাধ্যতামূলক৷ সৌদি নারীরা আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায়ও দীর্ঘদিন অংশ গ্রহণ করেননি৷ ২০১২ সালে দেশের প্রথম নারী প্রতিযোগী হিসেবে অলিম্পিকে অংশ নেন দু'জন ক্রীড়াবিদ৷ এরপর ২০১৬ সালের অলিম্পিকে চারজন নারীকে অলিম্পিকে অংশ গ্রহণের সুযোগ দেয়া হয়৷

এসিবি/ডিজি (রয়টার্স, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়