1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

মেয়েদের ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায় নাইজেরিয়া

আট সপ্তাহ হতে চলল, এখনো অপহৃত সন্তানদের ফিরে পাননি তাদের বাবা-মা৷ সেনাপ্রধান বলেছেন, বোকো হারাম স্কুলছাত্রীদের কোথায় আটকে রেখেছে তা তাঁরা জানেন, কিন্তু রক্তপাত এড়াতে চান বলে এখনো তাদের উদ্ধার করা যায়নি৷

গত ১৪ই এপ্রিল নাইজেরিয়ার বোর্নো রাজ্যের চিবোক শহরের এক বোর্ডিং স্কুল থেকে ২৬৭ জন ছাত্রীকে ধরে নিয়ে যায় ইসলামি জঙ্গি সংগঠন বোকো হারাম৷ পরে ৪০ জন পালিয়ে এলেও বাকিরা এখনো জিম্মি৷ গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, আটক ছাত্রীদের অধিকাংশই খ্রিষ্টান এবং বোকো হারাম সদস্যরা জোর পূর্বক তাদের ধর্মান্তরিত করেছে৷

বিভিন্ন সময়ে আটক জঙ্গিদের মুক্তির দাবিতে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সি এই স্কুলছাত্রীদের অপহরণ করে জিম্মি করে রেখেছে বোকো হারাম৷ নাইজেরিয়ায় এই ইসলামি জঙ্গি সংগঠনটির দৌরাত্ম বেড়েই চলেছে৷ গত পাঁচ বছরে সংগঠনটির হামলায় অন্তত ৬ হাজার মানুষ মারা গেছে৷ এপ্রিলে অপহৃত হওয়া স্কুল ছাত্রীদের এতদিনেও উদ্ধার করতে না পারায় নাইজেরিয়া সরকার এবং সেনাবাহিনী পড়েছে সমালোচনার মুখে৷

সরকার গোপনে বোকো হারামের সঙ্গে আলোচনা করে সময় নষ্ট করলেও স্কুলছাত্রীদের উদ্ধারে কাজের কাজ কিছুই করছে না – এমন অভিযোগে নাইজেরিয়ার বাইরেও বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে৷ সরকারের পক্ষ থেকে এতদিন সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে আলোচনার খবরকে মিথ্যে বলে উড়িয়ে দেয়া হচ্ছিল৷

তবে সোমবার নাইজেরিয়ার সেনা প্রধান অ্যালেক্স বাদেহ সেনাবাহিনী সম্পর্কে সব সমালোচনা ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, ‘‘আমি পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে গিয়ে বুক চাড়ে বলতে পারি, আমাদের বাহিনীতে বেশ কিছু সেরা সেরা পুরুষ এবং নারী সেনা আছে৷’’

তিনি দাবি করেন, গত ২৬ এপ্রিল, অর্থাৎ অপহরণের ১১দিন পরই অপহৃত স্কুলছাত্রীদের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে সেনাবাহিনী৷ তবে অপহৃতদের জীবন রক্ষার্থেই বোকো হারামের ওপর এখনো হামলা চালায়নি বলে জানান তিনি৷

সেনাপ্রধান অ্যালেক্স বাদেহ বলেন, ‘‘আমরা শক্তি প্রয়োগ করলে ওরা (বোকো হারাম) মেয়েগুলোকে মেরে ফেলবে৷ উদ্ধারের চেষ্টার নামে আমরা তো আমাদের মেয়েদের মেরে ফেলতে পারি না৷’’

অপহৃত স্কুলছাত্রীদের দ্রুত উদ্ধারের দাবিতে বুধবারও নাইজেরিয়ার রাজধানী আবুজাতে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে৷ সেখারে উপস্থিত সন্ত্রাস বিরোধী মহাজোটের সেক্রেটারি জেনারেল আতোয়ে আরিয়ো দারে বলছিলেন, ‘‘এখন শেষ ভরসা প্রার্থনা৷ আশা করছি, আমাদের মেয়েরা সুস্থ অবস্থায়, নিরাপদে বাড়ি ফিরবে৷’’

এসিবি/ডিজি (এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়