1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

‘মৃত্যুদণ্ড অমানবিক'

‘মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা দেশগুলোর বুদ্ধির কাজ হবে জার্মানির ১৯৪৯ সালের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে মৃত্যুদণ্ড বিলুপ্ত করা৷' বলছেন ডয়চে ভেলের গ্রেহেম লুকস৷ ফেসবুক পাতায় এই মন্তব্যেরই পক্ষে-বিপক্ষে কিছু মন্তব্য তুলে ধরা হলো৷

‘‘অপরাধ করলে শাস্তি পেতে হয় আর শাস্তির বিধান না থাকলে অপরাধ বাড়ে – একে মানবতা বলে না৷'' বলছেন রকি হাসান৷ অর্থাৎ পাঠক রকির মতে হয়ত মৃত্যুদণ্ডই অপরাধের একমাত্র শাস্তি হতে পারে৷

‘‘মৃত্যুদণ্ড অমানবিক মনে হলেও কিছু কিছু অন্যায় এত বড় যে সেখানে মৃত্যুদণ্ডকেই ছোট মনে হয়'' – মৃত্যদণ্ডের পক্ষে এই মন্তব্য করেছেন ডয়চে ভেলের পাঠক জলিলুর রহমান৷

অন্যদিকে মলয় কর দে মৃত্যদণ্ডের বিপক্ষে৷ তাঁর কথা হলো, ‘‘অপরাধীকে জেলে রাখা হোক মৃত্যুর আগে পর্যন্ত, কিন্তু মৃত্যুদণ্ড নয়৷'' তাই তো তিনি ফেসবুকে জলিলুর রহমানের মন্তব্যর উত্তর দিয়েছে এভাবে: ‘‘জলিলুর রহমান, আপনি ঠিকই বলেছেন৷ কিন্তু মৃত্যদণ্ড তো ক্ষণিকের কষ্ট, এতে অপরাধীরা কিছুই বুঝবে না৷ কষ্ট মুহূর্তই শেষ হয়ে যাবে৷ তবে জেলে থেকে অপরাধীদের সমস্ত আনন্দ থেকে দূরে রাখলে এবং সমস্ত কাজ করালে আস্তে আস্তে অপরাধী টের পাবে যে, কী ভুল সে করেছে৷ আপনি কী বলেন?''

তানভির আহসান বিজয়ের কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন মত৷ তাঁর কথায়, ‘‘জার্মানির নুরেমব্যার্গ ট্রাইব্যুনালে ফাঁসি দেয়া হয়েছিল কেন? ইতিহাস খুব সহজ বিষয় না যে সবাই ভুলে যাবে৷''

‘‘অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে কি বিকল্প পদক্ষেপ নিতে পারে বাংলাদেশ?'' এই প্রশ্ন ডয়চে ভেলের ফেসবুক বন্ধু মো ফরিদির৷

পাঠক নুপুর খুবই নরম মনের মানুষ৷ তাঁর মন্তব্য, ‘‘কেন জানি মৃত্যুদণ্ড দেয়ার ব্যাপারটা আমি মানতে পারি না, খুব কষ্ট হয় মৃত্যপথযাত্রীর জন্য৷ আবার অন্যদিকে তার অপরাধের কথাও মনে পড়ে৷''

সৈয়দ আজাদের মতে, ‘‘মৃত্যুদণ্ড মোটেই ঠিক নয়৷ আর এ কথা যে কোনো মানুষের জন্যই প্রযোজ্য৷''

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন