1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই অস্ট্রেলীয়র আপিলের শুনানি মুলতুবি

ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক আদালত মিউরান সুকুমারন এবং অ্যান্ড্রু চান-এর আপিলের শুনানি সাত দিন পিছিয়ে দিয়েছে৷ অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া দৃশ্যত তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের খরচ বহন করতে রাজি৷

প্রেসিডেন্ট জকো উইডোডো বা ‘জকোউই' এর আগেই উভয়ের মৃত্যুদণ্ড মকুব করতে অস্বীকার করেছেন৷ রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক আদালত শুনানি পিছিয়েছেন এই কারণে যে, প্রেসিডেন্টের পক্ষের আইনজীবীদের কোনো পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি ছিল না৷ প্রসঙ্গত, এই আদালতই গতমাসে দুই ফাঁসির আসামির রাজক্ষমার আবেদন বাতিল করে৷

৩৩ বছর বয়সি সুকুমারন এবং ৩১ বছর বয়সি চান ও আরো ন'জন অস্ট্রেলীয় ২০০৬ সালে আট কিলোগ্রাম হেরোইন ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় পাচার করতে গিয়ে ধরা পড়ে৷ বিচারে সুকুমারন ও চানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, অন্যান্যরা ২০ বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পায়৷

সুকুমারন এবং চান ছাড়াও আপাতত ইন্দোনেশিয়ায় মাদক পাচার সংক্রান্ত অপরাধের জন্য আরো আটজন বিদেশি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত: তাদের মধ্যে তিনজন নাইজেরীয়, দু'জন অস্ট্রেলীয়, একজন ফরাসি, একজন ইন্দোনেশীয় এবং একজন ঘানার নাগরিক৷ এদের উকিলরা শেষ মুহূর্তে নানা ধরনের আইনি ফ্যাকড়া দেখিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা স্থগিত রাখার চেষ্টা করেছেন৷ সুকুমারন ও চান-এর আপিলের শুনানি ঠিক সেভাবেই পিছাল, কেননা তাদের উকিলরা যুক্তি দেখিয়েছিলেন যে, প্রেসিডেন্ট ‘জকোউই' কারাবাসের সময় দুই বন্দির মনোভাব ও আচরণের পরিবর্তনকে পর্যাপ্তভাবে বিবেচনা করেননি৷ অপরদিকে ফরাসি আসামির আপিলের রায় ঘোষণার তারিখ হলো ১৯শে মার্চ৷ কাজেই সেই অবধি কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরি হওয়ার সম্ভাবনা নেই৷

অস্ট্রেলিয়া সরকার সিডনির দুই অভিবাসী সুকুমারন ও চান-এর মৃত্যুদণ্ড মকুব করার জন্য কূটনীতি এবং প্রচারণা পর্যায়ে প্রায় সব পন্থা পরখ করে দেখেছেন এবং দেখছেন৷ ২০০৪ সালের সুনামির পর অস্ট্রেলিয়া যে ইন্দোনেশিয়াকে প্রায় ১০০ কোটি ডলার পরিমাণ সাহায্য দিয়েছিল, সে'কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে সর্বশেষ প্রচেষ্টা: ৫ই মার্চ তারিখে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলি বিশপ নাকি জাকার্তাকে পাঠানো একটি পত্রে এই প্রস্তাব দিয়েছেন যে, ক্যানবেরা সরকার সুকুমারন ও চান-এর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সব খরচ বহন করতে রাজি৷ এ খবর দিয়েছে সিডনি হেরাল্ড পত্রিকা আজ বৃহস্পতিবার৷ চিঠি পাওয়ার তিনদিন পরে ওই পক্ষের জবাব: ইন্দোনেশীয় আইনে এমন কোনো সূত্র নেই, যার ভিত্তিতে এ ধরনের বিনিময় করা যেতে পারে৷

এই টানাপোড়েনের মধ্যেই ৪৮ বছর বয়সি এক জার্মানকে গত সেপ্টেম্বর মাসে ব্যাংকক থেকে বালিতে কোকেইন পাচারের দায়ে ১৫ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে৷ আদালত নাকি বলেছেন, একদিকে অভিযুক্তের ব্যবহার ও সহযোগিতার দরুণ, অন্যদিকে এটা তার প্রথম অপরাধ বলে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়নি৷

এসি/ডিজি (ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন