1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

মুসলিমবিদ্বেষীদের বিরোধিতাকারী মেয়রের বিরুদ্ধে রায়

ডানপন্থি সংগঠনের বিক্ষোভের সময় শহরের আলো নিভিয়ে দিয়েছিলেন ড্যুসেলডর্ফের মেয়র৷ শহরবাসীর প্রতি জানিয়েছিলেন পালটা সমাবেশ আয়োজনের আহ্বান৷ এই ভূমিকাকে ‘আইনের বরখেলাপ' বলে মেয়রের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে জার্মান আদালত৷

গত কয়েক বছরে ইসলামবিরোধী আন্দোলন ‘পেগিডা'-র কথা অনেকবার শুনলেও ‘ড্যুগিডা' নামের একটি সংগঠনের কথা হয়ত কেউ কেউ কোনোদিন শোনেনইনি৷ ২০১৫ সালে মুসলিমবিরোধী এই সংগঠন ড্যুসেলডর্ফ শহরে তোলপাড় তুলেছিল৷ ‘ড্যুসেলডর্ফ রেসিডেন্টস এগেইন্সট দ্য ইসলামাইজেশন অফ দ্য ওয়েস্ট', সংক্ষেপে ড্যুডিগা৷ ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি পশ্চিমা বিশ্বকে ইসলামীকরণের বিরোধিতার নামে গড়ে তোলা এই সংগঠন বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেয়৷ কিন্তু তাদের সমাবেশ শুরুর আগে শহরের মেয়র টোমাস গাইজেল শহরবাসীর উদ্দেশ্যে পাল্টা আরেকটি সমাবেশ আয়োজনের আহ্বান জানান৷ এইটুকু করেই থেমে থাকেননি৷ তারপর ড্যুগিডার সমাবেশের সময় শহরের বড় কোনো সরকারি ভবনের বাইরে যাতে আলো না জ্বলে সে ব্যবস্থাও করেন৷ শহরবাসীর উদ্দেশ্যে আহ্বান জানান, তাঁরা যেন সব দোকান এবং বাড়ির বাইরের আলোও নিভিয়ে রাখেন৷

নগরকর্তা হয়েও নগরের অধিবাসীদের একাংশের বিরুদ্ধে তাঁর এসব পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করেন ড্যুগিডার সাবেক প্রধান সংগঠক মেলানি ডিটমার৷ মেয়রের বিরুদ্ধে মামলাও করেছিলেন তিনি৷ বুধবার জার্মানির কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক আদালত বলেছে, সেদিন মেয়র টোমাস গাইজেল যা করেছিলেন তা জার্মানির আইনের পরিপন্থি৷ আদালত সুস্পষ্টভাবেই বলেছে যে, একজন জনপ্রতিনিধি আইনত স্থানীয় নাগরিকদের একাংশের বিরুদ্ধে এভাবে অবস্থান নিতে পারেন না৷ অর্থাৎ সমাবেশের সময় শহরের আলো নিভিয়ে দেয়া এবং পালটা সমাবেশ আয়োজনের আহ্বান জানানো – সামাজিক গণতান্ত্রিক দল এসপিডির সদস্য টোমাস গাইজালের দু'টি পদক্ষেপকেই আইনত অন্যায় বলে ঘোষণা করেছে আদালত৷

আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জার্মানিতে জাতীয় নির্বাচন৷ নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগে আদালতের এ রায় শরণার্থী এবং মুসলিমবিরোধী ডানপন্থি সংগঠনগুলোর জন্য কিছুটা স্বস্তিদায়ক বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন৷

কার্লা ব্লাইকার/এসিবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়