1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

মুসলিমদের পাশে দাঁড়ালো অস্ট্রেলিয়া, গোটা বিশ্ব

শুরুটা হয়েছিল সিডনিতে জিম্মি ঘটনাকে কেন্দ্র করে৷ বন্দুকধারী ছিলেন কট্টরপন্থি মুসলিম৷ তাই স্বভাবতই ইসলাম বিরোধী মানসিকতা উস্কে ওঠার শঙ্কা জেগেছিল৷ কিন্তু না, এক হ্যাশট্যাগ তা হতে দেয়নি৷

মুসলিমদের পাশে দাঁড়ালো অস্ট্রেলিয়া, গোটা বিশ্ব

শুরুটা হয়েছিল সিডনিতে জিম্মি ঘটনাকে কেন্দ্র করে৷ বন্দুকধারী ছিলেন কট্টরপন্থি মুসলিম৷ তাই স্বভাবতই ইসলাম বিরোধী মানসিকতা উস্কে ওঠার শঙ্কা জেগেছিল৷ কিন্তু না, এক হ্যাশট্যাগ তা হতে দেয়নি৷

হ্যাশট্যাগ #আই'লরাইডউইথইউ৷ সিডনিতে পণবন্দির ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে এই হ্যাশট্যাগটিও ছড়াতে থাকে দ্রুত৷ উদ্দেশ্য, মুসলিম বন্দুকধারীর কারণে যেনো সামগ্রিকভাবে মুসলমানদের প্রতি বিরুপ মানসিকতা তৈরি না হয়৷

ঠিক কে এই হ্যাশট্যাগের সূচনা করেছিলেন, তা নিয়েও হয়েছে বিস্তর গবেষণা৷ অস্ট্রেলিয়ার একাধিক গণমাধ্যম জানিয়েছে ব্রিসবনের এক নারীর কথা৷ নাম রেচেল জেকব্স৷ সিডনি ঘটনার সময় ট্রেনে যাচ্ছিলেন তিনি৷ সেসময় দেখতে পান, এক নারী নিরবে তাঁর হিজাব খুলে ফেলেন৷ ঘটনাটি আলোড়িত করে জেকব্সকে৷ তিনি দ্রুত সেই নারীর কাছে গিয়ে বলেন, ওটা আবার পরো৷ আমি তোমার সঙ্গে হাঁটবো৷

সেই নারী তখন কাঁদতে শুরু করেন৷ এরপর জেকব্সকে জড়িয়ে ধরেন কিছুক্ষণের জন্য৷ ফেসবুকে ‘প্রাইভেট পোস্ট' হিসেবে এ কথা পোস্ট করেন জেকব্স৷ কিন্তু তাঁর এক বন্ধুর বদৌলতে সেটা ছড়িয়ে যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে৷ এগিয়ে আসেন আরেক ব্যক্তি, ‘স্যার টেসা'৷ তিনি টুইটারে জানান, ‘‘ধর্মীয় পোশাক পরে কেউ রাস্তায় নামতে ভয় পেলে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন৷ আমি তোমার সঙ্গে যাবো৷'' এভাবেই সূচনা আই'লরাইডউইথইউ হ্যাশট্যাগের৷

প্রসঙ্গত, সিডনি জিম্মি ঘটনার সঙ্গে সম্প্রক্ত হলেও এই হ্যাশট্যাগ শুধু অস্ট্রেলিয়ায় সীমাবদ্ধ থাকেনি৷ মঙ্গলবার জার্মান সময় সকাল এগারোটার আগ অবধি ২৪ ঘণ্টায় হ্যাশট্যাগটি টুইটারে ব্যবহার হয়েছে কমপক্ষে ৩৬৭,১৯৯ বার৷ জার্মানিতেও মুসলিমবিরোধী প্রচারণার বিপক্ষে এই হ্যাশট্যাগটি ব্যবহার করা হচ্ছে এখন৷

সংকলন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন