1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

মুসলমান জার্মান সৈন্যরা রোজা রাখেন কি করে?

জার্মান সেনাবাহিনীর প্রায় আড়াই লাখ সৈন্যের মধ্যে হাজার খানেক মুসলমান৷ সামনে রোজার মাস, যখন তাঁদের সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত উপবাস করার কথা৷ আর সেটাই অনেকের পক্ষে বেশ সমস্যাজনক৷ কিন্তু কেন?

চাউকি আকিল একটি সাপ্লাই ব্যাটেলিয়নে প্লেটুন সার্জেন্ট৷ তাঁর কাজ হলো মালপত্র পরিবহণের সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সৈন্যদের তদারকি করা৷ কাজটা পুরো মনঃসংযোগ না থাকলে করা সম্ভব নয়, বলেন ৩০ বছর বয়সি আকিল৷

৯ জুলাই থেকে রোজা শুরু হতে চলেছে৷ স্থানটা জার্মানি হলে সমস্যা এক রকম, আবার ধরা যাক আফগানিস্তান হলে আরেক রকম৷ সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত অবধি নিরম্বু উপবাস করতে হবে৷ আফগানিস্তানের প্রচণ্ড গরমে কাজটা সহজ নয়, বিশেষ করে যদি সেই সঙ্গে মালপত্র আর সৈন্যদের দায়িত্ব থাকে৷

কাজেই আকিলের কর্মস্থান আফগানিস্তান হলে তাঁর বিবেকই তাঁকে বলে দিত, তুমি এই ঝুঁকি নিতে পারো না৷ জার্মান সেনাবাহিনীতে অন্যান্য যে সব মুসলমান সৈন্য আছেন, তাদেরও ঐ এক দশা৷ সবাই জার্মানিতে মানুষ, সেখানকার আবহাওয়াতে অভ্যস্থ৷ আফগানিস্তানের গ্রীষ্ম তাদের পক্ষে দুঃসহ৷ খাবার না খেয়ে থাকা যায়, কিন্তু পানি?

আকিল আপাতত জার্মানির উন্না শহরের সেনা ছাউনিতে নিযুক্ত৷ খেলাধুলা এবং গুলিচালনা অভ্যাসও এখানে কাজ হিসেবেই গণ্য হয়৷ ওদিকে জার্মানিতে গ্রীষ্মে দিনে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত আলো থাকে৷ কাজেই রোজা রাখাটা এখানেও একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়৷ তবে সেনাবাহিনী যথাসাধ্য করে৷ উদাহরণস্বরূপ: সৈন্যশিবিরের ক্যান্টিন ভোররাতে কিংবা মাঝরাতে খোলা থাকার কথা না – কিন্তু আকিলের মতো সতীর্থদের কথা ভেবে ক্যান্টিনের কর্মীরা সে ব্যবস্থাও করে রেখেছেন৷

জার্মানিতে জন্তু-জানোয়ার হালাল করা নিষিদ্ধ, কাজেই হালাল গোস্তের ব্যবস্থা না থাকলেও, মুসলমান সৈন্যদের জন্য সেনাবাহিনীর ক্যান্টিনে আলাদা করে, আলাদা হাতাখুন্তি দিয়ে রান্নার ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ অপরদিকে, দৈনন্দিন সামরিক সেবার ফাঁকেফোকরে যতদূর সম্ভব, আকিল তাঁর পরিবারের মানুষজনের সঙ্গে ইফতার করার চেষ্টা করেন৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়