1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

মিষ্টিজলের শিকারী

পেরুর জঙ্গলে মিষ্টি জলের এক শিকারি মাছ সেখানকার মানুষের জীবিকার জন্য জরুরি৷ অথচ এই মাছ সংরক্ষণে তাদের ভূমিকা কম নয়৷ সরকার ও এক জার্মান সংস্থা সেই উদ্যোগ চালাচ্ছে৷

পাইচে মাছ

পাইচে মাছ

‘‘একবার আমি যখন ‘‘আগোহার'' ধরে যাচ্ছি; তাঁবু ফেলে আমার মাছ ধরার ছিপ ইত্যাদি পরীক্ষা করে দেখছি...'' পাইচে মাছ যখন শিকার করে, তখন তা বহুদূর থেকে শোনা যায়! পাইচে হল মিষ্টিজলের শিকারি মাছদের মধ্যে অন্যতম, বিশেষ করে সাইজের দিক দিয়ে৷ পাইচে মাছ যে উপহ্রদে থাকে, সেখানে যাওয়া খুব সহজ নয়৷

অ্যামাজন নদীর উৎসগুলির মধ্যে পড়ে পেরুর রিও উকায়ালি নদী৷ তারই একটি খাঁড়ি ধরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বোট চলেছে৷ পেরুর অ্যামাজন অঞ্চলে জিআইজেড-এর শাখার যুগ্ম প্রশাসক মিলাগ্রোস অবলিতাস কিরস জানালেন, ‘‘আমি জীবনে প্রথমবার নদী দেখি ১১ বছর বয়সে৷

দেখে ভেবেছিলাম সমুদ্র! মানুষ যখন প্রথমবার দেখে, তার পরিবেশ কতোটা বড়, তখন সে বুঝতে পারে, প্রকৃতি কতো বিশাল৷ সেটাই আমার কাছে বড় কথা, আমি নিজেকে সেই বিশালত্বের অংশ হিসেবে মনে করি – এখানেও আমার ঠিক সেই অনুভূতি হয়৷''

ইমিরিয়া সংরক্ষিত এলাকার অনেক ভিতরে মৎস্য বিভাগ, বনবিভাগ আর জার্মান জিআইজেড সংস্থার পরিবেশ সংরক্ষণকারীরা মিলিত হয়েছেন৷ স্থানীয় জেলেদের সঙ্গে মিলে তারা পাইচে মাছের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে চান – তবে পাইচে মাছ ধরা পুরোপুরি নিষিদ্ধ করতে চান না৷ সেজন্য পারস্পরিক আস্থা থাকা চাই৷ জিআইজেড-এর এর্নান ফ্লোরেস মার্তিনেস জানালেন, ‘‘স্থানীয় লোকেদের পক্ষে ওটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কেননা তারা চিরকাল পাইচে মাছ ধরে আসছেন৷ কিন্তু এ পর্যন্ত সেজন্য কোনো সরকারি অনুমতি লাগত না৷ আমরা চাই, ওরা যাতে বেআইনিভাবে পাইচে মাছ না ধরেন, বৈধভাবে পাইচে মাছ ধরেন; মাছ ধরার একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী টেকসইভাবে মাছ ধরেন৷''

পাইচে মাছকে এরা বলে আরাপাইমা৷ আরাপাইমা এখন বিরল হয়ে এসেছে – ঠিক কতটা বিরল, সেটাই জানতে চান বিজ্ঞানীরা৷ আগে জেলেরা এখানে যথেচ্ছ মাছ ধরতেন; কিন্তু সংরক্ষিত এলাকা হবার পর মাছ ধরা নিষিদ্ধ হতে চলেছে৷ সেটা যাতে না ঘটে, সেজন্য জেলেরা পাইচে মাছ ধরে দেখাতে চেয়েছিলেন৷ কিন্তু পালানোর আপ্রাণ প্রচেষ্টায় মাছটি মারা যায়৷

এক মিটার সত্তর সেন্টিমিটার লম্বা মাছটি তখনও বংশবৃদ্ধি করার সময় পায়নি৷

অ্যার্নস্ট মায়ার/এসি

দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক