1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

মিশরে নতুন সংবিধানের পক্ষে ৯০ শতাংশ ভোট

মিশরে গণভোটে নতুন সংবিধান অনুমোদনের পক্ষে ব্যাপক সমর্থন দিয়েছেন ভোটাররা৷ অন্তত ৯০ শতাংশ ভোটার ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন বলে জানিয়েছে মিশরের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম৷

সহিংসতা আর ধরপাকড়ের মধ্য দিয়ে দু'দিন ধরে চললো গণভোট৷ প্রাথমিক ফলাফলে বোঝা গেল যে, মিশরের বর্তমান সেনাপ্রধান বেশ ভালোই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন৷ কেননা, এই সংবিধান অনুমোদিত হলে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়ানোর ঘোষণা এরই মধ্যে দিয়েছেন আব্দেল ফাত্তাহ আল-সিসি৷

সেনা মুখপাত্র এরই মধ্যে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দেয়ার জন্য জনগণকে সাধুবাদ জানিয়েছেন৷ স্থানীয় পত্রিকা আল-আকবর বৃহস্পতিবারের শিরোনাম ছিল – ‘জনগণ হ্যাঁ বলেছে'৷ অন্য পত্রিকা আল-আহরাম এর শিরোনাম – ‘গণভোটে সংবিধানের পক্ষে ৯০ শতাংশ ভোট '৷ বুধবার রাতে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এমইএনএ ও সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৯০ শতাংশ ভোটার নতুন সংবিধান অনুমোদন করে এর পক্ষে ভোট দিয়েছে৷ তবে এই ভোটের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েও কোনো সুবিধা করতে পারেনি সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসি সমর্থিত মুসলিম ব্রাদারহুড, যেটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে মিশর সরকার৷

Ägyptens Verfassungsreferendum

এই ভোটের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালিয়েও সুবিধা করতে পারেনি মুসলিম ব্রাদারহুড

নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর মিশরে এটাই প্রথম গণভোট৷ গত জুলাই মাসে মুরসিকে ক্ষমতা থেকে সরাতে সেনাবাহিনীকে যারা সমর্থন যুগিয়েছিল, জনগণের সেই অংশটিই নতুন সংবিধানের পক্ষে ব্যাপক সমর্থন দিয়েছে৷ সরকারবিরোধীদের ব্যাপক চাপে রাখায় তারা ‘না' ভোটের পক্ষে তেমন কোনো প্রচারণাও চালাতে পারেনি৷

এদিকে মঙ্গলবার ব্রাদারহুড সদস্যদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে নয়জন নিহত হয়েছে৷ বুধবারও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে ব্রাদারহুড সমর্থকরা৷ ভোটের দু'দিনে ৪৪৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মিশরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়৷ শুক্রবার নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন শীর্ষ নির্বাচনি কর্মকর্তা নাবিল সালিব৷

মিশরের অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আদলি মনসুর জানিয়েছেন, গণভোটের ফলাফলের উপরই নির্ভর করছে পার্লামেন্ট ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচন কবে নাগাদ হবে, তার সিদ্ধান্ত৷

এপিবি/ডিজি (এএফপি/রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন