মিশরে গ্রেপ্তারের সংখ্যা হাজার ছাড়াল | বিশ্ব | DW | 27.01.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

মিশরে গ্রেপ্তারের সংখ্যা হাজার ছাড়াল

মিশরের প্রসিডেন্ট হোসনি মোবারকের ৩০ বছরের শাসনামলের বিরুদ্ধে চলমান প্রতিবাদ বিক্ষোভে মঙ্গলবার থেকে এই পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷

default

কায়রোতে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ

প্রতিবাদ অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যাক্ত করার পরে একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারের এই খবর দিয়েছেন৷ এদিকে বিক্ষোভ চলাকালে কায়রো থেকে এ্যাসোসিয়েটেড প্রেস টেলিভিশন নিউজ (এপিটিএন)-এর একজন চিত্রগ্রাহক এবং তাঁর সহকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল৷ তাদের দু'জনকেই মুক্তি দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে বৃহস্পতিবার৷ বলা হয়েছে, চিত্রগ্রাহক হারিদি হোসেন হারিদি এবং তার সহকারী হাইথাম বাদ্রিকে বৃহস্পতিবার মুক্তি দেওয়া হয়েছে৷ তাঁরা পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময়ে বুধবার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল৷

সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বুধবার হাজার হাজার বিক্ষোভকারী সরকার বিরোধী বিক্ষোভ প্রদর্শন করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের রীতিমত লড়াই হয়৷ তারা মিশরের প্রসিডেন্ট হোসনি মোবারকের ৩০ বছরের শাসনামলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে৷ পুলিশ রাবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করেত চেষ্টা করে৷ রাজধানী কায়রোতে বিক্ষোভকারীরা টায়ার পোড়ায় এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে৷ সুয়েজে বিক্ষোভকারীরা একটি সরকারী ভবনে আগুন লাগিয়ে দেয়৷ এছাড়া দেশের অন্যান্য জায়গাতেও মানুষ প্রতিবাদ বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে৷ বিক্ষোভ চলাকালে এর আগে ২ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হলেও, এই দু'জনের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে৷ বৃহস্পতিবার বলা হয়েছে, দুর্ঘটনায় ঐ দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে৷

Proteste in Ägypten gegen Mubarak Regime

বিক্ষোভকারীরা টায়ার পোড়ায় এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে

প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারকের বিরুদ্ধে এই প্রথম এইরকম তুমুল বিক্ষোভ প্রতিবাদে ফেটে পড়েছে জনগন৷ এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্র মিশরের জনগণকে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দেখানোর অধিকার দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে৷ ইউরোপীয় ইউনিয়ন মিশরের কর্তৃপক্ষের প্রতি নাগরিক অধিকার রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছে৷ ই.ইউ.-র পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রধান ক্যাথারিন অ্যাশটন বলেছেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দেখানোর অধিকার মেনে নিতে হবে৷ তাঁর মতে, তিউনিসিয়ার সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর পরে মিশরে হাজার হাজার মানুষের এই বিক্ষোভ আসলে তাদের চাহিদার বহিঃপ্রকাশ৷ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টন বলেছেন, মিশরে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের এক সুবর্ণ সুযোগ দেখা দিয়েছে৷

ওদিকে মাইক্রো ব্লগিং সাইট টুইটার মিশরে তাদের সার্ভিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে বুধবারে নিশ্চিত করেছে৷ তারা এই খবর নিশ্চিত করে এই ইঙ্গিত দিয়েছে যে, সরকার উৎখাতের সম্ভাবনায়, সরকার বিরোধী বিক্ষোভের যাবতীয় খবর যেন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে না পড়ে তা নিশ্চিত করতেই মিশরে টুইটার সার্ভিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে৷

প্রতিবেদন: ফাহমিদা সুলতানা

সম্পাদন: সুপ্রিয় বন্দোপাধ্যায়

সংশ্লিষ্ট বিষয়