1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

মা, তোমাকে খুব ভালোবাসি

‘‘বাংলাদেশে বেশিরভাগ মেয়েদের জীবনটা কচুপাতার পানির মতন টুপ করে ঝরে যায় আর যে বয়সে বিয়ে হওয়ার কথা সে বয়সে তারা হয়...মা...৷'' নিজের ‘মা' আর নিজ কাজ সম্পর্কে আরিফুর রহমানের লেখাটি পড়ে একজন পাঠকের এই মন্তব্য৷

মায়ের অসহায়ত্বের কথা খুব আন্তরিকভাবে ডয়চে ভেলের পাতায় তুলে ধরেছেন আরিফুর রহমান৷ তাঁর মাকে হারানোর নানা কষ্টের কথা জেনে আমাদের ফেসবুক পাতায় ইমরান আহমেদ লিখেছেন, ‘‘এটা শুধু ওনার নয়, অনেক মা আছেন এমন বয়সের৷ খুব খারাপ লাগে এত অল্প বয়সে যাদের বিয়ে হয়, তাদের অবস্থা দেখে৷''

এ সম্পর্কে ডয়চে ভেলের ফেসবুক বন্ধু নজরুল ইসলামের মন্তব্য ‘‘আমাদের দেশে বেশিরভাগ মেয়েদের জীবনটা কচুপাতার পানির মতন টুপ করে ঝরে যায়৷ যে বয়সে বিয়ে হওয়ার কথা সে বয়সে কয়েকজনের মা, আর যে বয়সে মা হওয়ার কথা সে বয়সে তারা হয় দাদি বা নানি৷ জীবনের মানেটা বোঝার আগেই তাদের জীবন হয়ে যায় তেজপাতা...!!''

আরিফুর রহমানের লেখাটি পাঠক এ এস রানার হৃদয় ছুঁয়ে গেছে৷ তিনি তাঁর নিজের মা সম্পর্কে বলছেন, ‘‘পুরো দুনিয়া ছাড়তে পারলেও মাকে ছাড়া সম্ভব না৷''

আরিফুর রহমান লিখেছেন, ‘‘নারী অধিকার নিয়ে ভেবেছি সেই ছোটবেলা থেকেই, চেয়েছি ব্যতিক্রমী কিছু করার৷ আর সেই আকাঙ্খা থেকে কার্টুনের মাধ্যমে তুলে ধরতে চেয়েছি নারীর অসহায়ত্বের, অধিকারের কথা৷ ১১ বছরে বিয়ে, ১৩ বছরে আমার জন্ম আর ১৮ বছরের আগেই বাবা অন্যত্র বিয়ে করে তাঁকে ছেড়ে দেন৷'' এই তথ্যগুলো জেনে ডয়চে ভেলের পাঠক রেজাউল হাসানের মন্তব্য, ‘‘এগিয়ে যান ভাই ...!''

অন্যদিকে হাসিনা হোসেন বলছেন, ‘‘সব কষ্ট সব যন্ত্রণা যেন মেয়েদের৷''

তাঁর লেখায় আরিফুর রহমান আরো জানিয়েছেন, ‘‘২০১০ সালে ডাক্তার জানালেন মায়ের দু'টি কিডনিই বিকল৷ কিডনি প্রতিস্থাপন করা দরকার৷ মাকে জানালাম, ভয় করো না মা, আমি আছি৷ আমার শরীরে দু'টো কিডনি আছে, এর থেকে একটা কিডনি আমি তোমাকে দেবো, তোমাকে ঠিক সুস্থ করে তুলবো৷ কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য যে পরিমাণ অর্থের দরকার ছিল, সেটা জোগাড় করতে পারিনি৷ ২০১২ সালে মায়ের শরীর অবনতির দিকে চলে যায় এবং সে বছরের ১০ এপ্রিল তিনি পৃথিবী ত্যাগ করেন৷''

ডয়চে ভেলের পাতায় এ লেখাটি পড়ে পাঠক টিপু সুলতানের খুব ভালো লেগেছে৷

‘অসাধারণ' – লেখাটি পড়ে এই মন্তব্য পাঠক মৃনালিনী আসফাকের৷ এছাড়া সুকুল দাসেরও খুব ভালো লেগেছে৷ রুমা মল্লিক এবং শাহজাহান মোল্লার হৃদয়ও স্পর্শ করেছে লেখাটি৷

ফেসবুক বন্ধু খুকুখান লেখাটি পড়ে এতটাই আপ্লুত হয়েছেন যে, তিনি নিজে এখন তাঁর নিজের ময়ের কথা বলতে চান৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন