মাশরাফি দলে না থাকায় বিক্ষোভ | খেলাধুলা | DW | 20.01.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

মাশরাফি দলে না থাকায় বিক্ষোভ

বিশ্বকাপ দলে নেই মাশরাফি৷ বুধবার মুহূর্তের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে এই খবর৷ কিন্তু এই বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারছেন না ক্রিকেটপ্রেমী মানুষ৷ জাতীয় দল থেকে মাশরাফি বিন মোর্তাজাকে বাদ দেওয়ায় বিক্ষোভ করেছে সমর্থকরা৷

default

মাশরাফিকে দেখা যাবে না বিশ্বকাপে?

বৃহস্পতিবার মাশরাফির নিজ এলাকা নড়াইলের শত শত মানুষ রাস্তায় রাস্তায় বিক্ষোভ করে এবং জাতীয় দলের কোচ জেমি সিডন্সের কুশপুত্তলিকা পোড়ায়৷ এছাড়া তারা জেলাতে আধ বেলার হরতালও ডেকেছে৷

উল্লেখ্য, ইনজুরির কারণে বুধবার প্রধান নির্বাচক রফিকুল আলম দেশসেরা পেসার মাশরাফিকে

চূড়ান্ত জাতীয় দল থেকে বাদ দেওয়ার ঘোষণা দেন৷ মিরপুরের অ্যাকাডেমি ভবনের সভাকক্ষে প্রধান নির্বাচক যখন বিশ্বকাপের দল ঘোষণায় ব্যস্ত ছিলেন, তখন অ্যাকাডেমি মাঠের পাশের সিড়িতে দাঁড়িয়ে বিশ্বকাপ দলে মাশরাফিকে চেয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন সাধারণ মানুষ৷ অন্যদিকে পাশের মাঠেই চোখের জল আটকে রেখে অনুশীলনে ব্যস্ত ছিলেন ‘নড়াইল এক্সপ্রেস' খ্যাত মাশরাফি৷ কিন্তু গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় শেষ পর্যন্ত চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি দেশ সেরা এই পেসার৷ একজন গণমাধ্যম কর্মী প্রশ্ন রেখেছিলেন আজকের দিনটি আপনার জন্য কতটা কষ্টের? মাশরাফির উত্তর ছিলো, ‘আমার জীবনের সবচেয়ে কষ্টের দিন আজ৷'

বাদ দেওয়ার আগে কথা বলার জন্য সাবেক অধিনায়ককে একবারের জন্যও ডাকার প্রয়োজন মনে করেননি কেউ৷ এই বিষয়টি কষ্ট দিয়েছে তাঁকে৷ গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘‘আমি বাদ যেতেই পারি৷ তাই বলে কি একবারও আমাকে জানানোর প্রয়োজন মনে করলেন না?''

বিশ্বকাপ ক্রিকেট শুরু হতে এখনও বেশ কয়েকদিন বাকি৷ তাই তাঁর আশা ছিলো তার আগেই সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠবেন তিনি এবং স্বাগতিক দেশের একজন হয়ে মাতাবেন বিশ্বকাপ৷ আত্মবিশ্বাস ছিল ১৫ সদস্যের চূড়ান্ত দলে রাখা হবে তাঁকে৷ এক প্রতিক্রিয়ায় মাশরাফি এটাকে তাঁর দুর্ভাগ্য বলে অভিহিত করেছেন৷ তারপরও নির্বাচকের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছেন মাশরাফি৷ চেয়েছেন দলের সাফল্য৷

অন্যদিকে, অনেক দেশই চোট পাওয়া খেলোয়াড়দেরকে রেখেও বিশ্বকাপ দল সাজিয়েছে৷ মাশরাফিকে কি সেভাবে রাখা যেতো না এই নিয়ে প্রশ্ন উঠলে প্রধান নির্বাচক বলেন, ‘‘মাশরাফির চোট অন্যরকম৷ তারপরও ফেব্রুয়ারির ১৯ তারিখের আগে সে যদি খেলার মতো ফিট হয়, দলে নেওয়ার সুযোগ তো থাকছেই৷''

প্রতিবেদন: জান্নাতুল ফেরদৌস

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন