1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

মালয়েশিয়ায় অমুসলিমদের জন্য নিষিদ্ধ ‘আল্লাহ’

ক্যাথলিক চার্চের আবেদন খারিজ করে দিয়ে রায় দিয়েছে মালয়েশিয়ার সর্বোচ্চ আদালত৷ সেই রায় অনুযায়ী, দেশটির অমুসলিমরা ‘আল্লাহ’ শব্দ ব্যবহার করতে পারবেন না৷ রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অবশ্য একে সরকারের ভোট জেতার টিকিট হিসেবে দেখছেন৷

default

পুত্রজায়ার আদালতের সামনে দাঁড়িয়ে এক মুসলিম

ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, ‘আল্লাহ' হলো বিশ্বজগতের একমাত্র স্রষ্টা এবং প্রতিপালকের নাম৷ সেই সূত্রে এ শব্দটি সব ধর্মাবলম্বীরাই ব্যবহার করতে পারেন৷ কিন্তু মালয়েশিয়াতে এই একটা শব্দ নিয়ে চলছে বহুদিনের বচসা, ধর্মে ধর্মে লড়াই৷ চলছে স্থানীয় মুসলিম ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরোধ৷

২০০৭ সালে ‘দ্য হেরাল্ড' নামের একটি ক্যাথলিক সংবাদপত্রের মালয় ভাষার সংস্করণে একটি প্রতিবেদন ছিল৷ সেই প্রতিবেদনে ‘আল্লাহ' শব্দটি ব্যবহারের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পত্রিকাটি বন্ধের হুমকি দেয়া হয়৷ তখন ক্যাথলিক চার্চ আদালতে শব্দটি ব্যবহারের আবেদন জানায়৷ সেখানে বলা হয়, শতাব্দী ধরে মালয় ভাষায় বাইবেলে এবং অন্যান্য সাহিত্যে ঈশ্বর বোঝাতে ‘আল্লাহ' শব্দটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে৷

২০০৯ সালে মালয়েশিয়ার নিম্ন আদালত চার্চের পক্ষেই রায় দিয়েছিল৷ কিন্তু তার পরপরই দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে দাঙ্গা শুরু হয় এবং সংঘাত বাড়তে থাকে৷ এরপর গত বছরের অক্টোবর মাসে সরকার অমুসলিমদের জন্য ‘আল্লাহ' শব্দের ব্যবহার নিষিদ্ধ করে৷

সরকার বলে, ‘আল্লাহ' শব্দটি অমুসলিমরা ব্যবহার করলে মুসলিম সম্প্রদায় বিভ্রান্ত করবে এবং তাঁদের মধ্যে ধর্মান্তরিত হওয়ার প্রবণতা দেখা দিতে পারে৷

মালয়েশিয়ার ক্যাথলিক চার্চ শব্দটির ব্যবহারের অনুমতি চেয়ে আবেদনও করে৷ কিন্তু পুত্রজায়া আদালতে সাত বিচারকের একটি প্যানেল নিম্ন আদালতের রায় খারিজ করে এই রায় দেন৷

আদালতের প্রধান বিচারপতি আরিফিন জাকারিয়া বলেন, ‘‘আবেদনটি সঠিকভাবেই করা হয়েছিল, তবে এটি এমন একটি বিষয় যেখানে আমাদের হস্তক্ষেপের কোনো অধিকার নেই৷''

খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের পক্ষের আইনজীবী এস সিলভারাজা সংবাদসংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘‘এই নিষেধাজ্ঞা চ্যালেঞ্জ করে তাঁর দল আরো কয়েকটি মামলার করার কথা ভাবছেন৷'' বলা বাহুল্য, এই বিচারে তাঁরা হতাশ৷ এমনটাই জানান ‘দ্য হেরাল্ড' সংবাদপত্রের সম্পাদক ফাদার লরেন্স অ্যান্ড্রু৷

এপিবি/ডিজি (এপি, এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন