1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বাংলাদেশ

মালদ্বীপের নীলনয়না মডেল কন্যার বাংলাদেশে ‘আত্মহত্যা’

মালদ্বীপের এক তরুণী রাজশাহীর ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজের মহিলা হোস্টেলে ‘আত্মহত্যা' করেছেন বলে জানা গেছে৷ কলেজ কর্তৃপক্ষ এবং রাজশাহী পুলিশ ডয়চে ভেলেকে নিশ্চিত করেছে এই তথ্য৷

রাউধা আতিফের মরদেহ বুধবার দুপুরে রাজশাহীর ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজের মহিলা হোস্টেলে তাঁর রুম থেকে উদ্ধার করা হয়৷ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আসা রাজশাহী পুলিশের উপকমিশনার আহমেদ জাফর ডয়চে ভেলেকে জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে তিনি ‘আত্মহত্যা’ করেছেন৷

২১ বছর বয়সি রাউধা আতিফ মালদ্বীপের একজন উঠতি মডেল৷ তাঁর ছবি ইতোমধ্যে ‘ভোগ’ ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে প্রকাশিত হয়েছে৷ আহমেদ জাফর অবশ্য এই বিষয়টি অবগত নন বলে জানালেও আতিফের মৃত্যুর পেছনে আত্মহত্যার বাইরে আর কোনো আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন৷ তিনি বলেন, ‘‘ময়নাতদন্তের পর তাঁর মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কিনা জানা যাবে৷ তবে আপাতত দেখে মনে হচ্ছে এটা আত্মহত্যা৷’’

রাউধা আতিফ বিষন্নতায় ভুগছিলেন বলে তাঁর সহপাঠীরা পুলিশকে জানিয়েছেন বলেও ডয়চে ভেলেকে বলেন আহমেদ জাফর৷ মেডিকেল কলেজের এইচআর কর্মকর্তা জাহিদ হাসানও ডয়চে ভেলের কাছে একই দাবি করেন৷ তিনি জানান, রাউধা আতিফ মেডিকেল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন৷ গত বছর থেকে রাজশাহীতে অবস্থান করছেন তিনি৷

এদিকে, আতিফের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছে মালদ্বীপের ‘সান’ পত্রিকা৷ তাঁর পরিবারের সদস্যরা ইতোমধ্যে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে বলে জানিয়েছে পত্রিকাটি৷ এতে আতিফের এক সহপাঠীর ফেসবুক পোস্টের বরাত দিয়ে লেখা হয়েছে যে, প্রাথমিকভাবে বিষয়টিকে আত্মহত্যা মনে করা হচ্ছে৷

ভোগ ইন্ডিয়া ম্যাগাজিনের ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসের প্রচ্ছদে রাউধা আতিফের ছবি প্রকাশ হয়েছিল৷ সেই সময় মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মেদ নাশীদ তাঁকে টুইটারে অভিনন্দন জানান৷

সমুদ্রের পানির মতো নীল চোখের অধিকারী হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন আতিফ৷ ইন্সটাগ্রামে তাঁর অনুসারীর সংখ্যা ত্রিশ হাজারের মতো৷ একদিন আগেও সেখানে দু'টি ছবি পোস্ট করেছেন তিনি৷ এছাড়া ফেসবুকেই দু'দিন আগে একটি ছবি শেয়ার করেছেন তিনি৷ তবে তাঁর কোনো প্রোফাইলের সাম্প্রতিক কোনো পোস্টে আত্মহত্যার ইঙ্গিতপূর্ণ কোনো কিছু দেখা যায়নি৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন