1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

মার্কিন মুল্লুকে

সোমবার মাঝরাত নাগাদ কম্প্যুটারে বার্তাসংস্থাগুলো স্ক্রল করতে করতে খেয়াল হল: মাত্র ঘন্টা দেড়েকের মধ্যে মার্কিন মুলুকের কতো আজগুবি খবর বেরিয়েছে৷

default

নিউ ইয়র্কের ট্যাক্সি

যেমন নিউ ইয়র্ক শহরে ট্যাক্সি ড্রাইভারদের স্ক্যাম অর্থাৎ জুয়াচুরি৷ শহরের ট্যাক্সি এ্যান্ড লিমুজিন কমিশন গত সপ্তাহে জানায় যে, তারা সব ট্যাক্সির জিপিএস পজিশনিং চেক করে দেখেছে, হাজার হাজার ‘ক্যাবি' অর্থাৎ ট্যাক্সিচালক নাকি গত দু'বছরে ১৮ লক্ষ প্যাসেঞ্জারের কাছ থেকে বেআইনীভাবে দ্বিগুণ ভাড়া নিয়েছে৷ এখন মেয়র মাইকেল ব্লুমবার্গ তাঁর প্রশাসনকে বলেছেন, প্যাসেঞ্জারদের কিভাবে তাদের কাছ থেকে নেওয়া বাড়তি ভাড়া ফেরৎ দেওয়া যায়, তার পন্থা বের করো৷ ক্রেডিট কার্ড দিয়ে প্রায় ২০ শতাংশ প্যাসেঞ্জার ভাড়া চুকিয়ে থাকেন, তাদের নাকি সহজেই ফেরৎ দেওয়া যাবে, ইত্যাদি৷

‘ক্যালাইডোস্কোপ' না ‘ওশেন্স ইলেভেন'?

Joker Karte Kartenspiel

তাসের খেলায় জোকার একটা থাকেই

ফুয়ং কুয়ক ট্রুয়ং নামটা শুনলে বোঝা শক্ত যে সে মার্কিনি৷ কিন্তু সে প্রায় ২৭টি মার্কিন এবং ক্যানেডিয় ক্যাসিনোকে লক্ষ লক্ষ ডলার ভাঁওতা দেওয়ার একটি ষড়যন্ত্রের নায়ক৷ এই সোমবার তার ছ'বছরের জেল হয়েছে৷ এছাড়া তার ৩০ লক্ষ ডলার বাজেয়াপ্ত হবে, ক্যাসিনোগুলোকে ৬০ লক্ষ ডলার ফেরৎ দিতে হবে, ইত্যাদি৷ ট্রুয়ং স্যান ডিয়েগো শহরে ‘‘ট্রান অর্গানাইজেশন'' বলে একটি অপরাধীচক্র সৃষ্টি করে, যাদের কাজ ছিল ক্যাসিনোগুলোয় যারা তাস বাঁটে এবং তাদের উপর যারা নজর রাখে, তাদের ঘুষ খাইয়ে হাত করা৷ পদ্ধতিটা ছিল বিশেষ করে ব্ল্যাকজ্যাক আর মিনি-ব্যাকারাট খেলার জন্য৷ এখানে ভুয়ো তাস মেশানোর ফলে ট্রুয়ং আর তার সাঙ্গপাঙ্গরা আগে থেকেই জানতে পারতো, কোন তাসের পরে কোন তাস আসবে৷ এ'কাজের জন্য নাকি তারা গোপন ট্রান্সমিটার এবং বিশেষ সফটওয়্যারও ব্যবহার করতো৷

শুধু পপকর্ন আর সোডা নয়

আমাদের শেষের কাহিনীটি বিশেষভাবে এ্যামেরিকান৷ সোমবার ছিল লাস ভেগাসে শো-ওয়েস্ট কনভেনশন বা সম্মেলনের প্রথম দিন৷ শো-ওয়েস্ট হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সিনেমা হল মালিকদের সবচেয়ে বড় সম্মেলন৷ বক্তৃতা দিতে এসেছিলেন সোনি পিকচার্স এন্টারটেইনমেন্টের চেয়ারম্যান তথা সিইও মাইকেল লিন্টন৷ কিন্তু তাঁর মুখে শোনা গেল এক অদ্ভূত বাণী: সিনেমা হলে স্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রীর আবেদন জানালেন এই ‘মুভি মুঘল'৷ বললেন, মার্কিন মুলুকে প্রতি তিনজন কিশের-কিশোরী, তরুণ-তরুণীর মধ্যে একজনের মোটা হয়ে যাওয়ার বিপদ আছে৷ কাজেই সিনেমা হলগুলোতে শুধু পপকর্ন আর সোডার ব্যবস্থা না রেখে, কিছু হেলথ্ ফুডেরও ব্যবস্থা রাখলে কেমন হয়? এই যেমন ইওঘার্ট – মানে দই – গ্রানোলা বার কিংবা ভেজি'স – মানে শাকসব্জি?

তাহলে তো হলিউড মার্কা ফিল্মগুলোর মালমশলাও কিছুটা বদলানোর প্রয়োজন পড়বে, নয় কি?

প্রতিবেদক: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: সাগর সরওয়ার

সংশ্লিষ্ট বিষয়