1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

মার্কিন ব্যাংকের গোপন তথ্যও ফাঁস করবে উইকিলিক্স

একের পর এক ‘সাইবার বোমা’ ফাটিয়ে চলেছে উইকিলিক্স৷ আফগানিস্তান, ইরাক যুদ্ধের গোপন দলিলের পর মার্কিন কূটনীতির নথি৷ এবার তালিকায় যোগ হচ্ছে মার্কিন ব্যাংকের গোপন তথ্যও৷ এদিকে হিলারি ক্লিন্টন বেজায় চটেছেন উইকিলিক্সের উপর৷

default

উইকিলিক্স নিয়ে আলোচনা সর্বত্র

উইকিলিক্স পরবর্তী লক্ষ্য

উইকিলিক্সের পরবর্তী লক্ষ্য একটি মার্কিন ব্যাংক৷ ফোর্বস ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবি করেছেন, উইকিলিক্সের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান আসাঞ্জ৷ তিনি বলেন, পরবর্তী ফাঁস থেকে ব্যাংক দুর্নীতির প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যাবে৷ ঠিক কোন ব্যাংকের গোপন তথ্য এবার ফাঁস করা হচ্ছে তা জানাননি জুলিয়ান৷ তবে, তিনি বলেছেন আগামী বছরের শুরুতেই উইকিলিক্সের শোভা বাড়াবে ব্যাংকের গোপন নথি৷

চটেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

হিলারি ক্লিন্টন উইকিলিক্সের এই কাণ্ডকে আন্তর্জাতিক মহলের ওপর আক্রমণ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন৷ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই গোপন কূটনীতি ফাঁসের পর মার্কিন মিত্রদের মুখ এখন বেশ গোমড়া৷ তাই পরিস্থিতি শান্ত করতে দেরিতে হলেও বিবৃতি প্রকাশ করেন হিলারি৷ তিনি বলেন, এই গোপন নথি ফাঁস শুধুমাত্র মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির ওপরই হামলা নয়, এটি আন্তর্জাতিক মহলের ওপর আক্রমণ৷

Wikileaks - Internetseite Cablegate NO FLASH

এদিকে গোপন কূটনীতিক বার্তা যারা ফাঁস করেছে, তাদেরকে ধরতে সাড়াশি অভিযানে নেমেছে মার্কিন প্রশাসন৷ ভবিষ্যতে আর যাতে এমন চুরি না হয় সেদিকটাতেও গুরুত্ব দিচ্ছেন হিলারি৷

সন্দেহের তালিকায় ম্যানিং

সন্দেহের তালিকায় সবার উপরে আছেন ব্রিডলি ম্যানিং৷ ২৩ বছর বয়সি এই তরুণ মার্কিন সেনাকে তথ্য ফাঁসের অভিযোগে আটক করা হয় গত মে মাসে৷ আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর ওপর কূটনৈতিক বার্তা ফাঁসের দায় চাপানো হয়নি এখনো, তবে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মধ্যে আছেন ম্যানিং৷

ক্যান্সানর আক্রান্ত খামেনি!

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই মারাত্মক ক্যান্সারে আক্রান্ত৷ আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই মারা যেতে পারেন তিনি৷ এরকম এক মার্কিন গোপন বার্তা পাওয়া গেছে উইকিলিক্সে৷ ২০০৯ সালের আগস্ট মাসে ইস্তানবুলের মার্কিন কনস্যুলেট থেকে এই বার্তা পাঠানো হয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে৷ এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সম্পর্কে মার্কিন কূটনীতিকদের বিরূপ মন্তব্য নিয়েও আলোচনা এখনো চলছে৷

প্রতিবেদন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দোপাধ্যায়

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়