1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

মারের ইতিহাসে ঠাঁই, তাঁর জয়ে লেন্ডলও জয়ী

৭৭ বছর পর ব্রিটেন আবার দেখলো ঘরের ছেলেকে ট্রফি তুলে ধরতে৷ উইম্বলডন জয় তাই অ্যান্ডি মারেকে দিয়েছে স্বস্তির অনুভূতি৷ এ সময়েও পুরুষদের টেনিসের দ্বিতীয় সেরা স্মরণ করলেন ইভান লেন্ডলকে৷ তাঁর ছোঁয়াতেই যে নিজেকে বদলে নিয়েছেন!

গত বছর পর্যন্ত মারে ছিলেন ‘ভালো খেলে গ্র্যান্ড স্লামের ফাইনালে উঠে হেরে যান' এমন এক খেলোয়াড়৷ চারবার ফাইনালে উঠে চারবারই হার! এই উইম্বলডনেই ফাইনালে উঠে গত বছর আশা জাগিয়েছিলেন ব্রিটিশদের মনে৷ ফ্রেড পেরির পর প্রথম ব্রিটিশ হিসেবে উইম্বলডন ফাইনালে ওঠায় সবাই ভেবেছিলেন গ্যালারির তুমুল সমর্থন নিয়ে মারে বুঝি নিজের এবং ব্রিটেনের গ্র্যান্ডস্ল্যামখরা কাটাবেন৷ পারলেন না৷ হেরে গেলেন রজার ফেডারার-এর কাছে৷ সেদিন শিশুর মতো কেঁদেছিলেন অ্যান্ডি মারে৷

Ivan Lendl

মারের নতুন কোচ সাবেক এক টেনিস খেলোয়াড় ইভান লেন্ডল

ঠিক এক বছর পর নোভাক জোকোভিচকে ৬-৪, ৭-৫, ৭-৪ গেমে হারিয়ে উইম্বলডনের নতুন চ্যাম্পিয়ন হয়ে হাসলেন অ্যান্ডি মারে৷ অনেক সমর্থকের সঙ্গে হাসি ফোটালেন ইভান লেন্ডল-এর মুখেও৷

মারের নতুন কোচ ইভান লেন্ডল৷ টেনিসে খুব পরিচিত নাম৷ নিজেও ছিলেন বড় মাপের খেলোয়াড়৷ চেকোস্লোভাকিয়ার হয়ে টেনিস দুনিয়া কাঁপিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হওয়া লেন্ডল গ্র্যান্ড স্ল্যাম একক জিতেছেন ৯টি৷ কিন্তু উইম্বলডন জিততে পারেননি একবারও৷ ২০১২-র ফাইনালে ফেডারার-এর কাছে হেরে যাওয়ার পরও কোচ হিসেবে অ্যান্ডি মারেকে দারুণ উৎসাহ জুগিয়েছেন ৫৩ বছর বয়সী লেন্ডল৷ খুব কাজে লেগেছিল ব্যর্থতার পরও কোচের সেই উৎসাহ৷ ক'দিন পর ফাইনালে ফেডারারকে হারিয়েই মারে জিতেছিলেন অলিম্পিক সোনা৷ তারপর থেকে ২৬ বছর বয়সি এই স্কটিশ যেন একেবারে নতুন মানুষ৷ গত বছর ইউ এস ওপেন জিতে কাটিয়েছিলেন গ্র্যান্ড স্লাম খরা৷ সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উঠে এসেছিলেন ব়্যাংকিং-এর দু নম্বরে৷ এবার উইম্বলডনেও দ্বিতীয় সেরা হিসেবে খেলতে নেমে হারিয়ে দিলেন বিশ্বসেরা নোভাক জোকোভিচকে৷

অ্যান্ডি মারে ভীষণ খুশি৷ খুশির কারণ অনেক৷ দুটি খুবই উল্লেখযোগ্য৷ প্রথমটি, অর্থাৎ ৭৭ বছরের খরা কাটানোর বিষয়টি বলা হয়েছে আগেই৷ দ্বিতীয় কারণটি হলো, কোচ লেন্ডলকে একটি বিশেষ উপহার দিতে পারা৷ জীবনে দু দুবার ফাইনালে উঠলেও একবারও উইম্বলডন জিততে পারেননি লেন্ডল৷ দ্বিতীয় সুযোগে মারে কিন্তু জিততে পেরেছেন! জোকোভিচ-এর বিপক্ষে জয়টা নিজের জয় তো বটেই, সঙ্গে প্রিয় কোচেরও! মারের জয়ে নিজের উইম্বলডন অতৃপ্তি একটু হলেও ভুলতে পেরেছেন লেন্ডল৷

এসিবি/এসবি (এএফপি,এপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন