1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

‘মানুষ হত্যা যেন এক ভাইরাস’

রমজান মাসে জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট বা আইএস-এর হামলায় নিষ্পাপ শিশুদের হত্যার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে টুইট করেছেন অনেকে৷ সেসব টুইট দিয়ে সাজানো মন্তব্যগুলো পড়ে আমাদের ফেসবুকে পাল্টা মন্তব্য করেছেন অনেক বন্ধু৷

‘‘যারা পবিত্র রোজার মাসে ঘুমন্ত শিশুদের হত্যা করে, তারা মুসলমান নয়৷'' টুইটারের এই মন্তব্যটি পড়ে ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় পাঠক নঈম সানীর মন্তব্য, ‘‘আল্লাহ অবশ্যই ওদের শাস্তি দেবেন৷'' এই একই কথা লিখেছেন সাঈম আহমেদ অপুও৷

ফ্রেডি জানিয়েছেন, ‘‘আইএস কি মুসলমান? এরা জঙ্গি, এরা ইসলামের নামের কলঙ্ক৷ এদের কারণে ইসলাম আজকে ধ্বংসের পথে৷ ইসলাম মানে শান্তি৷ এটা কি ওরা বোঝে না?''

মানুষ হত্যার মতো অপরাধ কি আরো আছে? তাই আহমেদ সোহেল পাল্টা প্রশ্ন করেছেন, ‘‘রোজার মাসে হত্যা করলে মুসলমান নয়, তাহলে অন্য মাসে হত্যা করলে কি মুসলমান?'' সোহেল আরো লিখেছেন, ‘‘মূলকথা, ইসলাম কখনই নির্দোষ মানুষকে হত্যা করা সমর্থন করে না৷ আর শিশুদের তো প্রশ্নই উঠেনা৷''

প্রায় পাঁচ মাস পর সিরিয়ার কুর্দি অধ্যুষিত কোবানি শহরে বৃহস্পতিবার হামলা করেছে জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট বা আইএস-এর জঙ্গিরা৷ হামলায় অন্তত ৩৫ জন মানুষের নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে৷ এ সম্পর্কে আসফাক মাহমুদের মন্তব্য, ‘‘আইএস কি মুসলমান? ছি, লজ্জা! ওরা তো মুসাদ-এর বানানো দালাল৷''

ডয়চে ভেলের ফেসবুকে এ বিষয়ে নাসের মাহমুদ লিখেছেন, ‘‘রোজা কেন, কোনো সময়ই মানুষ হত্যা করা মুসলমানের কাজ নয়, আমাদের প্রিয় নবী (স:) বলেছেন, যে ব্যাক্তি অন্যায়ভাবে একজন মানুষকে হত্যা করে সে সমগ্র মানবতাকে হত্যা করার অপরাধ করলো৷ তাই জালেম শাসকদের বলছি, মানুষ হত্যা করে গদিতে টিকে থাকার চেষ্টা করবেন না, পরিণতি ভয়াবহ হবে৷''

পাঠক রায়হানের সোজা কথা, ‘‘যারা এভাবে মানুষ হত্যা করে, তারা অমানুষ৷''

মো. রনি অবশ্য ভিন্ন কথা বলেছেন৷ তিনি প্রতিবাদের সুরে তাঁর মত জানিয়েছেন এভাবে, ‘‘আমরা যে যা মনে করি না কেন, এই সকল বর্বরোচিত হামলার পেছনে সম্ভবত অ্যামেরিকা, ইসরায়েল, ব্রিটেনরা কাজ করছে৷ কারণ এরা মুসলিমদের প্রকাশ্য এবং গোপনীয় শত্রু৷ আমাদের সকল মুসলিমদের উচিত এদের সকল পণ্য ব্যাবহার থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করা৷ চলুন আমরা চেষ্টা করি তাদের পণ্য বর্জন করতে আর এটাই তাদের বিরুদ্ধে আমাদের যুদ্ধ৷''

‘‘যারা এভাবে মানুষ হত্যা করে তারা মসুলমান নামধারী কুলাঙ্গার'' – এই মন্তব্য ফেসবুক বন্ধু মো. খালিদ হাসানের৷

আবদুল্লাহেল ফরিদের ভাষায়, ‘‘হামলাকারীরা মসজিদ, মন্দির, গির্জা, কবরস্থানের মতো স্থানও বাদ দিচ্ছে না, রোজার মাসেও হামলা বাদ নেই৷ এ যেন এক ভাইরাস৷ কুকুরে কামড় দিলে যেমন মানুষ জলাতঙ্কের রোগী হয়ে কুকুরের মতো আচরণ করে, তেমনি হামলাকারীরা ভাইরাসের মতো বিধ্বংসী হয়ে উঠেছে৷''

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন