1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

মানবাধিকার রক্ষায় ইইউ’র দাবি প্রত্যাখ্যান

মানবাধিকার রক্ষায় শ্রীলংকাকে কিছুটা চাপে ফেলার চেষ্টা করেছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন৷ কিন্তু সেই চাপ, প্রত্যাখান করেছে শ্রীলংকা৷ উল্টো সেদেশের সরকারের দাবি, ইইউ-র এই দাবি অপমানজনক৷

default

ফাইল ফটো

গত বছর গৃহযুদ্ধের অবসানে শ্রীলংকার কিছু অংশে ব্যাপক সেনা অভিযান চালিয়েছিল সেদেশের নিরাপত্তা বাহিনী৷ চূড়ান্তভাবে দমন করেছিল তামিল টাইগারদের৷ কিন্তু সেসময় অভিযোগ ওঠে, অভিযান চলাকালে হাজার হাজার বেসামরিক তামিলকে হত্যা করেছে সেনারা৷ বিষয়টির তদন্তে সম্প্রতি তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিটি গঠন করে জাতিসংঘ৷ এই প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এর গবেষক ইউলেন্ডা ফস্টার বলেন, ‘‘আমরা আশা করছি যে, এই প্যানেল আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিষয়টির স্বাধীন তদন্তে প্রথম পদক্ষেপ৷''

কিন্তু বাধ সেধেছে সেদেশের সরকার৷ ইতিমধ্যেই শ্রীলংকা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক তদন্ত দলের সদস্যদের সেদেশে প্রবেশের সুযোগ দেয়া হবে না৷ তারা পাবে না কোন ভিসা৷ ইউলেন্ডা ফস্টার এই প্রসঙ্গে জানান, ‘‘শ্রীলংকা সরকার ইতিমধ্যে জানিয়েছে, তারা এই প্যানেলে সন্তুষ্ট নয়৷ কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, শ্রীলংকার অভ্যন্তরীণ কাঠামো এমনভাবে তৈরি যা ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তা দিতে সক্ষম নয়৷ তাই, যুদ্ধকালীন সময়ে সেখানে কি হয়েছিল তা জানতে আন্তর্জাতিক তদন্ত অবশ্যই প্রয়োজন৷''

এদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নও শ্রীলংকা সরকারের মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে উদ্বিগ্ন৷ তাই, একটু ভিন্নভাবে বিষয়টির সুরাহায় বাণিজ্যিক দিককে সামনে এনেছে ইইউ৷ শ্রীলংকা সরকারকে ইইউ জানায়, ইউরোপে বিশেষ সুবিধা নিয়ে বাণিজ্য অব্যাহত রাখতে হলে মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটাতে হবে৷ সেইসঙ্গে এই উন্নয়নের অঙ্গীকার দিতে হবে লিখিত আকারে৷ এজন্য ইইউ-র বেঁধে দেয়া সময়সীমা হচ্ছে আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত৷

অবশ্য তার আগেই শ্রীলংকা সরকারের মুখপাত্র কেহেলিয়া রামবুকভেলা বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দাবি অগ্রহণযোগ্য৷

কেহেলিয়া-র মতে, ইইউ'র দাবি মানলে তা শ্রীলংকার অভ্যন্তরীন নিরাপত্তায় বিঘ্ন ঘটাবে৷ কারণ, ইইউ সন্ত্রাসবাদ আইনের কিছু অংশের পরিবর্তন চায়, যা সম্ভব নয়৷

উল্লেখ্য, ইউরোপীয় অঞ্চলে বাণিজ্যের বিশেষ সুবিধা থাকায় শ্রীলংকা বছরে প্রায় ১৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাড়তি আয় করে৷ কিন্তু ইইউ'র দাবি না মানলে আগামী ১৫ আগস্টের পর থেকে সেদেশ এই বিশেষ সুবিধা আর পাবেনা৷

প্রতিবেদন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়