1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘মানবাধিকার কর্মী বা সংগঠন কি আইনের ঊর্ধ্বে?'

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে বরাবরের মতো এ মুহূর্তেও অনেক বিষয় নিয়েই আলোচনা চলছে৷ মিশর প্রসঙ্গ আছে, আছে বাংলাদেশের ছোট-বড় অনেক বিষয়৷ তবে মানবাধিকার কর্মী আদিলুর রহমান খানকে নিয়ে একটি লেখাই বেশি নজর কাড়ার মতো৷

মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার'-এর সাধারণ সম্পাদক আদিলুর রহমান খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে গত সপ্তাহে৷ তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি গত ৫ই মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশের ঘটনা নিয়ে একটি অসত্য প্রতিবেদন তৈরি করেছেন৷ সেখানে তিনি ‘কাল্পনিকভাবে' ৬১ জন মারা যাওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন বলেও বলা হয়েছে৷ সরকারের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়, ‘অধিকার'-এর তৈরি করা সেই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা ৬১ জনের নাম-ঠিকানা চিঠির মাধ্যমে জানতে চাওয়া হয়েছিল, কিন্তু জবাবে নাম না জানিয়ে ‘অধিকার' জানায়, বাংলাদেশে ক্ষতিগ্রস্ত বা সাক্ষীর সুরক্ষা আইন নেই বলে সরকারকে ওই তালিকা দেয়া সম্ভব নয়৷

Logo OCHA-Kampagne

অপপ্রচারের মাধ্যমে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টার অভিযোগ

মূলত সে কারণেই সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয় আদিলুর রহমান খানকে৷ তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা অনুযায়ী অভিযোগ এনে দণ্ডবিধির ৫৪ ধারায় তাঁকে রাতের অন্ধকারে ধরে রিমান্ডে নেয়ায় সরকারের তীব্র সমালোচনা হয়েছে, এখনো হচ্ছে৷ ‘আমার ব্লগ'-এ আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল এ বিষয়টি নিয়েই লিখেছেন৷ তবে তাঁর লেখায় তুলে ধরা হয়েছে আদিলুর রহমান খানের অতীতের কিছু কর্মকাণ্ড৷ তিনি বর্তমান সরকার কাজ শুরু করার পর থেকেই যে তিনি অপপ্রচারে নেমেছিলেন তা দেখানোই এ লেখার উদ্দেশ্য৷ আব্দুল্লাহ্ হারুন জুয়েলের লেখাটির শিরোনাম ‘মানবাধিকার কর্মী বা সংগঠন কি আইনের ঊর্ধ্বে?'৷ তবে যেভাবে একজন মানবাধিকার কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তার পক্ষে কোনো যুক্তি নেই এ লেখায়৷

এ ছাড়া ১৫ই আগস্ট, অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার স্মরণে শোক দিবস পালনের দিনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জন্মদিন উদযাপনের বিষয়টিও উঠে এসেছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে৷ এমন লেখালেখি অবশ্য গত কয়েক বছর ধরেই হচ্ছে৷

সংকলন : আশীষ চক্রবর্ত্তী

সম্পাদনা : সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়