1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

মাইকেল জ্যাকসনের ‘অন্ধকার দিক'?

মাইকেল জ্যাকসন কি সত্যিই পেডোফিল ছিলেন? ২০০৫ সালের মামলায় সাক্ষ্যপ্রমাণ হিসেবে যে সব ফটো ইত্যাদি পেশ করা হয়েছিল, তা থেকে এমন মনে হওয়া সম্ভব৷ জ্যাকসনের পরিবারের সদস্যরা অবশ্য তা অস্বীকার করছেন৷

দৃশ্যত মাইকেল জ্যাকসনের কাছে পর্নোগ্রাফি, জীবজন্তুদের উপর নিপীড়ন, স্যাডো-ম্যাসোকিজম আর শিশুদের উপর অত্যাচার সংক্রান্ত মিডিয়ার এক বিশাল সংগ্রহ ছিল৷ এ খবর দিয়েছে রাডার অনলাইন নামের এক এন্টারটেনমেন্ট ম্যাগাজিন৷ ওয়েবসাইটটিতে সান্টা বারবারা কাউন্টি শেরিফ-এর ডিপার্টমেন্টের নথিপত্রের উল্লেখ করা হয়েছে৷ এই সব নথিপত্র নাকি ২০০৫ সালে জ্যাকসনের বিরুদ্ধে শিশু নিপীড়ন মামলার শুনানিতে পেশ করা হয়েছিল৷ পরে সেই নথিপত্র আর প্রকাশ করা হয়নি৷

পুলিশ বিভাগের এক তদন্তকারী নাকি রাডার অনলাইনকে বলেছেন যে, ‘‘এই নথিপত্র থেকে জ্যাকসনের এক অন্ধকার ও ভীতিকর ছবি ফুটে ওঠে৷....এই সব নথিপত্র জ্যাকসনকে একজন সুনিপুণ, মাদক ও যৌনতায় আসক্ত শিকারি হিসেবে তুলে ধরে, যিনি পশুহত্যার রক্তাক্ত, যৌন উদ্দীপনাময় ছবি ও প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে বিকৃত যৌন সম্পর্কের ছবি দেখিয়ে শিশুদের নিজের বশে আনতেন৷''

২০০৫ সালের তদন্ত চলার সময় নাকি লিখিত কাগজপত্র, দিনপঞ্জি, ফটো, অডিওটেপ ও ৮০টির বেশি ভিডিও রেকর্ডিং বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল৷ জ্যাকসনের বিরুদ্ধে শিশু নিপীড়নের অভিযোগ এনেছিল গ্যাভিন আর্ভিজো নামের এক ১৩ বছরের কিশোর৷ ১৪ সপ্তাহ ধরে শুনানি চলার পর জ্যাকসনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়৷

জ্যাকসনের এস্টেট ও পরিবার রাডার অনলাইনের রিপোর্টের তীব্র সমালোচনা করেছেন৷ যারা এখনও এভাবে ‘‘নোংরা ইন্টারনেট ক্লিক-এর টোপ ফেলে'' মাইকেলের নাম থেকে পয়সা করার চেষ্টা করছে, তারা ভুলে যাচ্ছে যে জুরি ১৪টি অভিযোগের প্রত্যেকটি অভিযোগে জ্যাকসনকে নির্দোষ সাব্যস্ত করেছিল – জ্যাকসনের এস্টেটের তরফ থেকে একটি বিবৃতিতে বলা হয়৷

জ্যাকসনের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আগামী ২৫শে জুন, তার ঠিক আগেই কেন এই খবর? এছাড়া, এই পরিমাণ সাক্ষ্যপ্রমাণ ২০০৫ সালের মামলায় ব্যবহার করা হয়নি কেন? এ সব প্রশ্ন থেকেই যায়৷

‘কিং অফ পপ’ মাইকেল জ্যাকসন কি সত্যিই ‘পেডোফিল’ ছিলেন? আপনার কী বিশ্বাস? লিখুন নীচের ঘরে৷

কেবিএম/এসি/ডিজি

নির্বাচিত প্রতিবেদন