1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

মহাকাশের গভীরে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি

চাঁদের মাটিতে পা রাখার পর মানুষ এখনো মহাকাশের আরও গভীরে যেতে পারেনি৷ ইউরোপীয় এটিভি মহাকাশযানকে সেই লক্ষ্যেই আরও উন্নত করে তোলা হচ্ছে৷ অ্যামেরিকার সঙ্গে সহযোগিতায় অদূর ভবিষ্যতে হয়ত চাঁদেই এক ঘাঁটি তৈরি হবে৷

ইউরোপীয় পরিবহন মহাকাশযানগুলি এখনো পর্যন্ত প্রায় ৩০ টন জিনিসপত্র আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে পাঠিয়েছে৷ ইউরোপে এখনো পর্যন্ত এটিভি-ই সবচেয়ে জটিল মহাকাশযান৷ এবার তার দিন ফুরিয়ে আসছে৷ তাতে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলি নতুন কাজের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে৷

এটিভি-যানে উচ্চ প্রযুক্তির ন্যাভিগেশন সিস্টেম রয়েছে৷ এর সাহায্যে সে তার নিজস্ব গতিপথ স্থির করতে পারে৷

এমনকি আইএসএস-এর সঙ্গে ডকিং-এর জটিল প্রক্রিয়ার পরিকল্পনা ও তা কার্যকরও করতে পারে৷ ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার টোমাস রাইটার বলেন, ‘‘এটিভি ৫-এ দুটি নতুন অপটিকাল সেন্সর রয়েছে, যা ভবিষ্যতে ব্যবহার করা সম্ভব হবে৷ শুধু স্পেস স্টেশনে ডকিং-এর জন্যই এর প্রয়োজন হবে না৷ এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে অন্যান্য বস্তুর কাছে বা তার সঙ্গে একতরফাভাবে যুক্ত হওয়া যাবে৷''

যেমন কক্ষপথ থেকে বিক্ষিপ্ত স্যাটেলাইট৷ মহাকাশে আবর্জনা এড়াতে এটিভি-৫ সেটির নিয়ন্ত্রিত পতন ঘটাতে পারবে৷ এটিভি প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে ইউরোপীয়রা মহাকাশের গভীরে মানুষ পাঠাতে পারবে৷ তার ইঞ্জিন ও এভিয়নিক ব্যবস্থার আরও উন্নতি করে নাসার ওরিয়ন ক্যাপসুল-এর জন্য একটি মডিউল তৈরি করা হচ্ছে৷ অ্যামেরিকানরা অ্যাস্টেরয়েড বা গ্রহাণুপুঞ্জে যেতে অথবা চাঁদে একটা ঘাঁটি তৈরি করতে চায় কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়৷ মঙ্গলগ্রহ অভিযানের প্রস্তুতির জন্য সেখানে প্রশিক্ষণ ও গবেষণা চালানো যেতে পারে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক