1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

মহাকাশচারীদের ঘুমের ব্যাঘাত অনিবার্য!

মহাকাশে পাড়ি দেবার স্বপ্ন দেখেন বহু মানুষ৷ আর সেই স্বপ্ন দেখেন তাঁরা ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে৷ বলা বাহুল্য, সুস্থ জীবনযাপনের জন্য আট ঘণ্টা ঘুম জরুরি৷ কিন্তু সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন অনুযায়ী মহাকাশচারীদের ঘুমের ব্যাঘাত অনিবার্য৷

প্রতিদিন সকালে সূর্য ওঠে, সন্ধ্যায় সূর্য ডুবে যায়৷ ফলে মানুষ সেই অনুযায়ী নিজের ঘুমের একটা ছন্দ রপ্ত করে নিয়েছে৷ কেউ বেশি রাতে ঘুমায়, দেরিতে ওঠে, কেউ বা ‘আর্লি টু বেড, আর্লি টু রাইজ...'

– এই নীতিতে বিশ্বাস করে৷ কিন্তু নিয়মিত ঘুম প্রায় সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য৷ অন্তত পৃথিবীর বুকে তো বটেই৷

কিন্তু মহাকাশে গেলে ঘুমের যেন ছন্দপতন ঘটে৷ সেখানে সকাল-সন্ধ্যা, রাত-দিন নেই৷ সবই এক কৃত্রিম ঘড়ির নিয়ম মেনে চলে৷ ফলে প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রভাব ছাড়াই ঘুমাতে এবং ঘুম থেকে উঠতে হয়৷ স্নায়ুবিজ্ঞানীরা সম্প্রতি বিষয়টি ভালো করে পরীক্ষা করেছেন৷ ‘দ্য ল্যান্সেট নিউরোলজি' নামের পত্রিকায় তার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে৷

হার্ভার্ড মেডিকাল স্কুল ও কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন৷ এর আওতায় তাঁরা মার্কিন ‘স্পেস শাটল' বা মহাকাশফেরির কয়েকটি অভিযানের তিন মাস আগে থেকে যাত্রা শুরু হওয়া পর্যন্ত এবং আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন – আইএসএস-এ অভিযান চলাকালীন মহাকাশচারীদের ঘুমের সময় মেপে দেখেছিলেন৷ শাটল-এর মোট ৬৪ জন আরোহী এবং আইএসএস-এ ২১ জনের ঘুমের প্রবণতা পর্যবেক্ষণ করা হয়৷ ২০০১ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত এই তথ্য সংগ্রহ করা হয়৷

তাতে দেখা গেছে, অভিযানের আগে তাঁরা রাতে ছয় ঘণ্টারও কম ঘুমাতেন৷ আইএসএস-এ পৌঁছে তাঁদের ঘুমের গড় সময় দাঁড়ায় ৬ ঘণ্টা ৫ মিনিট৷ অথচ মহাকাশচারীদের প্রতি নাসা-র পরামর্শ হলো দিনে সাড়ে আট ঘণ্টার ঘুম৷

ঘুমের অভাব ও ক্লান্তির ভাবের কথা অনেক মহাকাশচারীই বলে আসছেন৷ তবে এর আগে ঠিক এভাবে তার পরিমাপ করা হয়নি৷ পৃথিবীতে ফেরার পর তাঁদের উপর অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়েছে৷ যাত্রার আগে অথবা অভিযানের সময় তাঁদের ঘুম নিয়ে কেউ তেমন মাথা ঘামাননি৷ তাঁদের মধ্যে অনেককেই তাই ঘুমের ওষুধও খেতে হয়েছে৷

এসবি/ডিজি (ডিপিএ, নাসা)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়