1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

মর্যাদা ও আভিজাত্যের প্রতীক যখন ঘড়ি

মোবাইল ফোনসহ নানা ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতির ঘনঘটায় সময় দেখার তাগিদে ঘড়ির ব্যবহার বর্তমান সময়ে কিছুটা কমে এসেছে৷ তাই বলে এই ছোট্ট যন্ত্রটির চাহিদা এখনও ফুরিয়ে যায়নি৷ আভিজাত্য, অভ্যাস কিংবা শখের বসে এখনও প্রিয় সঙ্গী ঘড়ি৷

default

নানা বাহারের নতুন নতুন ঘড়ির চাহিদা ইউরোপ কিংবা উত্তর অ্যামেরিকার চেয়েও এশিয়ায় বেশি৷ ফলে কোন ব্যক্তির সাথে দেখা হলে করমর্দনের পরই মানুষ একটু দৃষ্টি দেন হাতে জড়িয়ে থাকা উজ্জ্বল ঘড়িটির দিকে৷ আর এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি চীনের নগরগুলোতে৷ এমনকি ঘড়ির চেহারা-সুরত থেকেই নির্ণয় করা যায় তার মালিকের শ্রেণী কিংবা বাসস্থানের পর্যায়৷ যেমন ঘড়িতে যদি এক টুকরো সোনার পাত লাগানো থাকে, তাহলে বোঝা যায় নিশ্চয় সেই ঘড়ির মালিক চীনের মধ্য অঞ্চলের মানুষ৷ অন্যদিকে তার চেয়েও আরো বেশি দামি ঘড়ি দেখে বুঝতে হবে এই ব্যক্তি নিশ্চয় শাংহাই, শেনঝেন কিংবা বেইজিং এর মতো উপকূলীয় নগরীর বাসিন্দা৷

03.04.2009 DW-TV euromaxx quiz Uhr 1

আভিজাত্যের প্রতিক হিসেবে ঘড়ি অনেকের প্রিয়৷

এমনকি চীনে সোনার রোলেক্স ঘড়িটিও খুব বেশি উঁচু মর্যাদার চিহ্ন নয়৷ কারণ একটু কম উন্নত শহরগুলোতেই মানুষ সোনার রোলেক্স ঘড়ি ব্যবহার করে এমনটি বোঝাতে, যে তার টাকা-পয়সা ভালোই রয়েছে৷ যাহোক ঘড়ি এভাবে আভিজাত্যের প্রতীক বলেই হয়তো সুইস ঘড়ি তৈরির প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান বাজার এশিয়া৷ সুইস প্রতিষ্ঠানগুলোর সমিতির প্রেসিডেন্ট জঁ দানিয়েল পাশ জানালেন, ‘‘২০১০ সালে আমাদের ৫২ শতাংশ ঘড়িই বিক্রি হয়েছে এশিয়ার বাজারে৷'' তবে এর মধ্যে ৫৫ শতাংশ বাজার চীনে এবং ৪৬ শতাংশ হংকং-এ৷

তবে চীনে দামি দামি নতুন ঘড়ির বাজার এতো ভালো হওয়ার পেছেন যতোটা না ঘড়ির প্রতি টান, তার চেয়ে বেশি বড় কথা হচ্ছে চীনের মানুষের পকেট এখন বেশ গরম৷ এমন কথাই বলছেন বিশ্লেষকরা৷ ফর্বস কিংবা সানডে টাইমস এর মতোই ধনীদের তালিকা তৈরি করে হারুন গোষ্ঠী৷ আর এই হারুন এর হিসাবে, বর্তমানে চীনে বিলিয়ন ডলারের মালিক রয়েছে প্রায় দুই শ'জন৷ আর কমপক্ষে ১০ লাখ ডলারের মালিক রয়েছে আট লাখ ৭৫ হাজার৷ তবে শুধু পয়সার জোরই নয়, বরং দামি আর সুন্দর ঘড়ির প্রতি চীনাদের আগ্রহ ঐতিহ্যগত বলে দাবি করেন সুইস প্রতিষ্ঠানগুলোর সমিতির এশীয় প্রধান টিয়েরি দুপোয়া৷

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন