1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

মর্যাদার পথে যাত্রা, শান্তি চুক্তির অমর্যাদা

ইউক্রেন সরকার ও বিদ্রোহীরা দু'সপ্তাহের মধ্যে ভারি অস্ত্র প্রত্যাহারে রাজি হয়েছে৷ কিয়েভে হয়েছে ‘মর্যাদার পথে যাত্রা'৷ চলেছে বোমা হামলাও৷ সেনাবাহিনী জানিয়েছে, রুশপন্থিদের হামলা বন্ধ না হলে অস্ত্র প্রত্যাহার নয়৷

শনিবার কিয়েভের ‘ময়দান'-এ অভূতপূর্ব এক দৃ্শ্যের অবতারণা হয়৷ এক বছর আগে সেখানেই শুরু হয়েছিল ইউক্রেনের তখনকার প্রেসিডেন্ট ভিক্টর ইয়ানুকোভিচের রুশপন্থি নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ৷ সরকার বিক্ষোভ থামাতে সেনাবাহিনী নামালে তখন কমপক্ষে ১০০ জন বিক্ষোভকারী মারা যায়৷ ‘ময়দান বিপ্লব'-এর এক বছর পূর্তিতে শনিবার সেখানে সমবেত হয়েছিলেন প্রায় ১০ হাজার মানুষ৷ ‘মার্চ অফ ডিগনিটি', অর্থাৎ ইউক্রেনের ‘মর্যাদার পথে যাত্রা'-য় অংশ নিতে জার্মানি, পোল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া, স্লোভাকিয়া ও জর্জিয়ার প্রেসিডেন্টরাও গিয়েছিলেন কিয়েভে৷ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের পোরোশেঙ্কোর আমন্ত্রণে সেখানে গিয়ে হাতে হাত ধরে হেঁটেছেন তাঁরা৷ ‘মার্চ অফ ডিগনিটি'-তে অংশ নেয়ার পর জার্মান প্রেসিডেন্ট ইওয়াখিম গাউক বলেন, ‘‘ইউক্রেনের মানুষের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করতে আমি এখানে এসেছি৷''

শনিবার ইউক্রেনের সেনাবাহিনী এবং রুশপন্থি বিদ্রোহীদের মধ্যে ১৯১ জন বন্দি বিনিময়ও হয়েছে৷ দু'পক্ষ ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে দু'সপ্তাহের মধ্যে পূর্ব ইউক্রেন থেকে ভারি অস্ত্র সরিয়ে নেয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মতি জানিয়ে সম্মতিপত্রে সাক্ষর করে৷ ইউক্রেন সরকারের মুখপাত্র পিওতর কানোনিক এ খবর নিশ্চিত করে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থাগুলোতে বিবৃতিও দেন৷ কিন্তু সোমবার ইউক্রেনের সেনাবাহিনী জানায়, পরিস্থিতি না বদলালে তারা এখনই অস্ত্র প্রত্যাহার শুরু করবে না৷ এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী বলেছে, রুশপন্থি বিদ্রোহীরা এখনো হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, এ অবস্থায় ভারি অস্ত্র সরিয়ে নেয়া সম্ভব নয়৷

রোববার ইউক্রেনের খারকিভ শহরে এক বোমা হামলায় দু'জন নিহত এবং অন্তত আট জন আহত হয়৷ হামলায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়৷ রুশভাষী অধ্যুষিত আরো কয়েকটি শহরেও বোমা হামলার খবর পাওয়া গেছে৷

ওদিকে কিয়েভে ‘মার্চ অফ ডিগনিটি' হওয়ার একদিন আগে মস্কোয় ইউক্রেন প্রশ্নে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ন্যাটোর ভূমিকার প্রতিবাদে বিশাল এক সমাবেশ হয়৷ মস্কোর রেড স্কয়ারে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ অংশ নেয়৷ সমাবেশে অংশ নেয়া বক্তারা মনে করেন, এক বছর আগে ইউক্রেনের ময়দান স্কয়ারে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল তার মূল কথাই হলো রুশ-বিরোধীতা৷ ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ন্যাটো তাতে মদদ জোগাচ্ছে৷

এসিবি/ডিজি (ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন