1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

‘মমতা হিন্দু ছিলেন, এখন মুসলমান হয়ে গেছেন'

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে সাম্প্রদায়িকতার কোনো জায়গা নেই৷ এ কথা জানার পর ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় পাঠকরা এর বক্তব্যের পক্ষে-বিপক্ষে তাঁদের নানা মত প্রকাশ করেছেন৷

মমতার বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বক্তব্য খুশি হয়েছেন আমাদের ফেসবুকবন্ধু শাহনাজ রানু৷ তিনি একটি আবদারও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী কাছে৷ লিখেছেন, ‘‘দিদি, ছিটমহল সমস্যা সমাধান করেছেন৷ এবার তিস্তার চুক্তি করে দেখিয়ে দেন যে, আপনিই বাংলাদেশের প্রকৃত শুভাকাঙ্খী৷''

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে সাম্প্রদায়িকতার কোনো ঠাঁই নেই – এ কথা জেনে ওমর ফারুক লিখেছেন, সেজন্যই তিনি মমতার ভক্ত এবং এ কথার জন্য মমতাকে শুভকামনা জানিয়েছেন তিনি৷

তবে পাঠক তিতান পালের ধর্ম নিয়ে রাজনীতিকদের বক্তব্য দেয়া মোটেই পছন্দ নয়৷ তাই তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘‘শেখ হাসিনা আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্য বেশ মিল রয়েছে৷ একজন খেলে হিন্দুদের নিয়ে আর একজন মুসলমানদের নিয়ে৷''

আর পাঠক অমল পান্ডে তো মুখ্যমন্ত্রীর কথা বিশ্বাসই করতে পারছেন না৷ বরং তাঁর মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই নাকি সবচেয়ে বড় সাম্প্রদায়িক৷

তবে মো. সাহেব হোসেন সরকারের ‘গরু হোক ছাগল হোক, যার যা ইচ্ছে তাই খাবে' – এই কথাটি পছন্দ হয়নি৷ তাঁর কথায়, এ সব নিয়ে যারা বাড়াবাড়ি করে, তারা নাকি পাগল৷

অন্যদিকে ফেসবুকে পাঠক রুহুল আমিন তাঁর মন্তব্য জানিয়েছেন বেশ কড়া করেই৷ লিখেছেন, ‘‘ধর্ম নিয়ে হানাহানি-কাটাকাটির মূলেই আছে আমাদের নষ্ট রাজনীতিকরা৷ ওনারাই মানুষকে উসকে দেন নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য৷'' তাঁর মতে, ভোটের জন্য নাকি মমতা এ সব বলছেন৷

ওদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে অর্পা মুখার্জির কটাক্ষ করা মন্তব্য এরকম: ‘‘মমতা ব্যানার্জি হিন্দু ছিলেন, এখন পুরোপুরি মুসলমান হয়ে গেছেন৷''

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন